আরো ২৬৩৫ রোগী শনাক্ত ৩৫ জনের মৃত্যু

আপডেট : ০৬ জুন ২০২০, ২২:৩৯

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৩৫ জন কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে আরো ৩৫ জনের। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৩ হাজার ২৬ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা গতকাল শনিবার নিয়মিত বুলেটিনে দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির এই তথ্য তুলে ধরেন। বাংলাদেশে প্রতি পাঁচ জনের নমুনা পরীক্ষায় একজন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

৫০টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১২ হাজার ৯০৯টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১২ হাজার ৪৮৬টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৮৫১টি। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫২১ জন। ফলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন মোট ১২ হাজার ৮০৪ জন। নতুন করে যারা মারা গেছেন তাদের ২৮ জন পুরুষ, নারী সাত জন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভা?গে আট, সিলেট বিভাগে দুই, রাজশাহী বিভাগে তিন এবং বরিশাল বিভাগে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৫ জন মারা গেছেন হাসপাতালে, নয় জন বাড়িতে এবং হাসপাতালে আনার পর এক জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বয়সের দিক থেকে ১১ থেকে ২০ বছরের দুই জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের তিন, ত্রিশোর্ধ্ব দুই, চল্লিশোর্ধ্ব তিন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১০, ষাটোর্ধ্ব পাঁচ, সত্তরোর্ধ্ব ৯ এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের এক জন মারা গেছেন।

গত শুক্রবারের বুলেটিনে জানানো হয়, করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন মারা গেছেন। ১৪ হাজার ৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনার উপস্থিতি পাওয়া গেছে আরো ২ হাজার ৮২৮ জনের দেহে। সেই হিসাবে আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যু উভয়ই বেড়েছে। দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ৪০ জনের মৃত্যুর রেকর্ড আছে। এ তথ্য জানানো হয় ৩১ মের বুলেটিনে। সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে ২ হাজার ৯১১ জনের, যা গত ২ জুনের বুলেটিনে জানানো হয়। শনিবারের বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় রোগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ১০ শতাংশ। লিঙ্গভেদে শনাক্তের হিসাবে ৭১ শতাংশ পুরুষ এবং ২৯ শতাংশ নারী। রোগী শনাক্ত বিবেচনায় এ পর্যন্ত সুস্থতার হার ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে পুরুষ ৭৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং নারী ২২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে আরো ৩১৪ জনকে এবং বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৭ হাজার ১৬২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৯৮ জন এবং এ পর্যন্ত ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭৮৯ জনকে। এ পর্যন্ত কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ২২২ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৮১১ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ৪২ হাজার ৯২৫ জন। বর্তমানে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫৭ হাজার ২৯৮ জন।