নদীতে পানি বৃদ্ধি
মো. আবদুল হক রেনু, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) সংবাদদাতা
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলাসহ আশপাশে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে শাকসবজিসহ ফসলের ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আগাম বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রাম। বানের পানিতে তলিয়ে গেছে ঐ এলাকার বিভিন্ন রাস্তাঘাট, হাট বাজার। অনেক বাড়িঘরে উঠেছে পানি। কয়েক ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকার আউশ ফসলের মাঠ আর সবজিতলা। আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে এলাকা প্লাবিত হওয়ায় অনেক পুকুর ও ফিশারির মাছ পানিতে ভেসে গেছে।
উজানে টানা বৃষ্টির কারণে শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার নূরপুর ও শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের কাজিরগাঁও, নিশাপট, মররা, ডাকিজাঙ্গাল, লাদিয়া, চানপুর, আলগাপুর, চরহামুয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় ঐ দুই ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের ৮০০ একর ফসলের মাঠে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে আউশের বীজতলা, বোনা আউশসহ সবজিতলা ২ ফুট পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। এ দিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে খরস্রোতা খোয়াই ও সুতাং নদীর পানি শনিবার দুপুর ২টায় বিপত্সীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। খোয়াই নদীর পানি বুদ্ধির ফলে প্রতিরক্ষা বাঁধ অনেকটা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এভাবে পানি বৃদ্ধি পেলে শায়েস্তাগঞ্জে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আম্বিয়া খাতুন বলেন, টানা বৃষ্টিপাত আর পাহাড়ি ঢলে শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অনেকের ফসলের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গাজীউর রহমান ইমরান বলেন, টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মানুষের শাক সবজি ও মাছের খামারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা থেকে এ বিষয়ে তালিকা করা হবে। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর ফসলের ক্ষতির কথা নিশ্চিত করে বলেন, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ঠিকই। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে সে ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে। এখনই বলা যাচ্ছে
