এন-৯৫ মাস্ক কেনায় দুর্নীতি তদন্ত করবে দুদক

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ০০:৩৫

করোনা ভাইরাস চিকিত্সায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ব্যবহারের জন্য এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, প্রতারণার অভিযোগ অনুসন্ধানে এবার মাঠে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার কমিশন এ ব্যাপারে এক জরুরি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে দুদক। তিনি বলেন, করোনা মহামারি শুরুর সময় সরকারিভাবে যেসব সামগ্রী ক্রয়-প্রক্রিয়া শুরু হয় সে ব্যাপারে দুদক নজরদারি রাখছে। বিশেষ করে এন-৯৫ মাস্ক এবং পিপিই  ক্রয়ের  ক্ষেত্রে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতি বা প্রতারণার কিছু খবর এসেছে, কমিশন এ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিবেদন সংরক্ষণ করছে।

অনুসন্ধানের ব্যাপারে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা (উপ-পরিচালক) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জানান, এন-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি-প্রতারণা বা জাল জালিয়াতির অভিযোগটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

দুদক সূত্র জানায়, মাস্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন কমিশন আমলে নেয়। এরপর স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক সামগ্রী ক্রয়ের বিষয়গুলো কমিশন অনুসরণ শুরু করে। পরে বিভিন্ন উত্স হতে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়। এসব সামগ্রী চিকিত্সক, নার্স বা স্বাস্থ্যকর্মীদের জীবনের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালসহ কয়েকটি সরকারি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) মাধ্যমে এন-৯৫ ব্র্যান্ডের মোড়কে সাধারণ ও নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ করে জেএমআই গ্রুপ। বিষয়টি তদন্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করে। অপরদিকে মাস্ক কেলেঙ্কারির এই ঘটনায় তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।