বুন্ডেসলিগায় রবার্ট লেভান্ডোভস্কি পূর্বসূরি জার্ড মুলারের রেকর্ড ছুঁতে পারবেন কি না তা সময়ই বলে দেবে। দলীয়ভাবে অবশ্য মুলার-যুগের একটা রেকর্ডে ঠিকই ভাগ বসিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোলের কীর্তি ছোঁয়ার পথে জার্মান কাপের সেমিফাইনালে আইনট্র্যাখট ফ্রাঙ্কফুর্টকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপার আরো কাছে পৌঁছে গেছে ব্যাভারিয়ানরা।
অথচ ম্যাচ শুরুর আগে সের্জ গেনাব্রির চোট দুঃসংবাদ হয়েই এসেছিল কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের কাছে। তার বদলে একাদশে ঢোকা ইভান পেরিসিচ অবশ্য বায়ার্নকে তরুণ ফরোয়ার্ডের শূন্যতা বুঝতে দেননি একটুও। ১৪ মিনিটে থমাস মুলারের ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে তিনিই দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন।
স্রোতের বিপরীতে গিয়ে আইনট্র্যাখট সমতা ফেরায় ৬৯ মিনিটে। তবে বায়ার্ন জয়সূচক গোলটি পেতে মোটেও সময় নেয়নি। ৭৪ মিনিটেই রবার্ট লেভান্ডোভস্কির গোলে জয় নিশ্চিত হয় দলটির। এটি ছিল চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতায় ৪৩ ম্যাচে খেলে বায়ার্নের ১২৯তম গোল। ফলে ১৯৭২-৭৩ মৌসুমে নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডেও ভাগ বসান লেভান্ডোভস্কিরা।
রেকর্ড গড়লেও শিষ্যদের পারফরম্যান্স তৃপ্তি দিচ্ছে না কোচ হ্যান্সি ফ্লিককে। জানালেন, আরো দু-তিনটে গোল পেলে তবেই তৃপ্ত হতেন তিনি। বললেন, ‘আমাদের সুযোগগুলো কাজে লাগানো উচিত ছিল। আরো একটা কিংবা দুটো গোল করা উচিত ছিল, তাহলে দ্বিতীয়ার্ধটা ভিন্ন হতে পারত।’
এই নিয়ে শেষ ২১ ম্যাচের ২০টিতেই জিতেছে ফ্লিকের দল। এমন ধারাবাহিক নৈপুণ্যের প্রশংসা না করেও পারলেন না কোচ ফ্লিক। দলের প্রাপ্য প্রশংসাটা করে বললেন, ‘দলের বড়ো প্রশংসা করতেই হবে আমাকে। আমরা দারুণ ছন্দে আছি। খেলোয়াড়রা অনেক ভালো কাজ করছে, এ কারণে দ্বিতীয়ার্ধের এমন পারফরম্যান্স মেনে নেওয়াই যায়। মূল লক্ষ্যটা ছিল কাপ লড়াইয়ে পরের পর্বে যাওয়া যেটা আমরা অর্জন করেছি।’
