ক্রীড়াক্ষেত্রে বাজেট বাড়ছে

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ২১:১৭

জাতীয় বাজেটের দিনে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়েরও একটা বাজেট থাকে। গতকাল সেই বাজেট জাতীয় সংসদে উঠেছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বাজেট চাওয়া হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে অ্যাসোসিয়েশন এবং ফেডারেশনসহ ৫৩টি সংস্থা রয়েছে। অনুদান দিতে হয় ক্রীড়া পরিষদকে। এ বছর মহামারি কোভিড-১৯-এর কারণে ফেডারেশনগুলো আর্থিক সংকটে পড়ছে। যদিও বাফুফে কিংবা বিসিবির মতো প্রতিষ্ঠান সংকটে পড়ছে না। তাদের অর্থ সংস্থানের জন্য ফিফা এবং আইসিসি রয়েছে। কিন্তু দেশের অন্য ফেডারেশনগুলো আর্থিক সংকটে পড়বে। কারণ খেলা পরিচালনার জন্য স্পন্সর প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়ার দরজটা ছোটো হয়ে আসছে। তাই সরকারের ওপর নির্ভর করছে ফেডারেশনগুলো। এমন মন্তব্য করছেন ফেডারেশন নীতি-নির্ধারকরা। তারা মনে করছেন, সংস্কার বা উন্নয়ন ব্যয় কমিয়ে প্রশিক্ষণে ব্যয় বাড়ানো জরুরি। ক্রীড়া পরিষদের সচিব মাসুদ করিম বলেন, ‘আমরা তো বাজেট দিয়েছি ফেডারেশনগুলোর কথা মাথায় রেখে। এখন দেখি কী আসে।’    

অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল গতকাল ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মিলিয়ে সর্বমোট ১ হাজার ৪৭৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে উন্নয়ন খাতে ২৩৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং পরিচালন খাতে ১ হাজার ২৪৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ধরা হয়েছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটে উন্নয়ন খাতের পরিমাণ ছিল ১৫৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং পরিচালন খাতের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩০১ কোটি ২৭ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সংশোধিত বাজেটের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৫৬ কোটি ৫৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এবারের প্রস্তাবিত বাজেট গত বছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ২২ কোটি ৩৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা বেশি।