গুণগত বাস্তবায়নই মোদ্দা কথা

আপডেট : ১১ জুন ২০২০, ২২:৪৮

করোনা ভাইরাসে মহামারির সময়ে যেসব খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার ছিল সেগুলোকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষার মত অগ্রাধিকার খাতগুলোতে বরাদ্দ বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইনক্রিমেন্টাল হয়েছে। যেমন,    আগে যেখানে যেখানে ১০ টাকা বরাদ্দ ছিল, সেখানে করা হয়েছে ১২ টাকা অথচ বরাদ্দ হওয়া উচিত ছিল ২০ টাকা।

এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, রাজস্ব তো বাড়ছে না তাহলে অর্থ আসবে কোথা থেকে। এক্ষেত্রে বাজেট ঘাটতি আরো ১ শতাংশ বেশি হতে পারত। বাড়তি অংশ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নিতে পারতো। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বেশি করে সহায়ত নেওয়ার সুযোগ ছিল। এখনো সে সুযোগ আছে। তবে এক্ষেত্রে সরকারকে সংস্কারের মনোভাব বা সংস্কার করার জন্য ওইসব প্রতিষ্ঠানের কাছে কমিটমেন্ট করা লাগত। সরকার সেটা সম্ভবত করতে চায়নি।

করোনা ভাইরাসের কারণে এ মহামারি কত দিন চলবে তা আমরা কেউ জানি না। এজন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাত ও খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে নজর দিতে হবে। এ খাতে বরাদ্দ ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এটা ১০ শতাংশ বাড়লে আরো ভালো হতো।

পরিবহন ও যোগাযোগ খাতকে বেশি বরাদ্দ বা গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারেন। তবে করোনা ভাইরাসের অবসান হলে দেশের সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থা ঠিক করতে এটার প্রয়োজন ছিল।  সরকার এ বিষয়টা চিন্তা করেই এমন উদ্যোগ নিয়ে থাকতে পারে।

তবে খাতওয়ারি বরাদ্দ যা-ই হোক না কেন সেসবের গুণগত বাস্তবায়নই হলো মোদ্দা কথা। সেদিকে নজর দিতে পারলেই বাজেটের উদ্দেশ্য সফল হবে।