গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া স্থানভেদে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ মওকুফ করেছে বাড়ির মালিকেরা। তবে বেশ কয়েকটি স্থানে ভাড়া মওকুফের বিষয়টি অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও মেস ভাড়ার সমস্যা নিয়ে গঠিত কমিটি নবীনবাগ এলাকায় মেস মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ শতাংশ ভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেয়। ওই এলাকায় ভাড়া থাকা শিক্ষার্থীরা এপ্রিল মাস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হওয়া পর্যন্ত এভাবে ভাড়া দিবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ বিলও দিতে হবে শিক্ষার্থীদের। তবে নবীনবাগে ভাড়া থাকা অধিকাংশ শিক্ষার্থী বলছেন, এই দুর্যোগের সময়ে ২৫ শতাংশ ভাড়া মওকুফ সান্ত¦না ছাড়া আর কিছুই না। এতে আমাদের ভোগান্তি তেমন কমবে না।
এদিকে পূর্বের এক আলোচনায় গোবরাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের কয়েকটি স্থানের বাড়ির মালিকেরা ৪০ শতাংশ ভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেয়। এসমস্ত এলাকার ভাড়া কিছুটা মওকুফ হলেও পাচুড়িয়া, ঘোষেরচর, মান্দারতলা ও গোপালগঞ্জ শহরসহ আশেপাশের এলাকায় ভাড়া মওকুফের বিষয়টি অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
এবিষয়ে গঠিত কমিটির সদস্য সচিব মো. ফায়েকুজ্জামান মিয়া বলেন, কয়েকটি এলাকার ভাড়া মওকুফের বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। তবে খুব দ্রুত আলোচনা হবে বলে মনে করি।
প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের কারণে গত মার্চ মাস থেকে টিউশনসহ সবকিছু বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনাবাসিক প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী বাড়ি কিংবা মেস ভাড়া নিয়ে সমস্যায় পড়েন। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি কমিটি গঠন করে কাজ করে যাচ্ছে।
ইত্তেফাক/এসি

