এইচএসসি পরীক্ষা:হিসাববিজ্ঞান পরামর্শ

আপডেট : ১২ জুন ২০২০, ১৯:৫৬

সুপ্রিয় এইচএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, আজ হিসাবিজ্ঞান বিষয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পর্কে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো।

হিসাববিজ্ঞান একটি ব্যবহারিক বিষয়। উভয় পত্রেই তোমরা যে কয়টি চ্যাপ্টার পড়েছো তার ভিত্তিতেই তোমরা প্রস্তুতি নিবে। নতুন করে কোন চ্যাপ্টার এখন আর পড়ার প্রয়োজন নেই। কারণ এখন যদি তোমরা নতুন করে কোন চ্যাপ্টার পড়া শুরু কর তাহলে তা হয়তো পরীক্ষায় উত্তর করার মতো উপযোগী নাও হতে পারে। তাই আমার প্রথম পরামর্শ হচ্ছে, তোমরা যা শিখেছ তার ভিত্তিতেই তোমরা প্রস্তুতি নিবে এবং পরীক্ষা দিবে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন   এর জন্য তোমরা প্রতিটি অধ্যায়ের থিউরী অংশগুলো ভালোভাবে পড় এবং পাশাপাশি বিগত বছরগুলোর বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো অনুশীলন কর। সৃজনশীল  প্রশ্নের উত্তরপত্রের ক-বিভাগের (আর্থিক বিবরণী) জন্য বিগত বছরের প্রশ্নগুলো বারবার অনুশীলন করবে। যারা একটু কম প্রস্তুতি নিয়েছ তারা হিসাববিজ্ঞান প্রথমপত্রের সৃজনশীল প্রশ্নের খ-বিভাগের জন্য ১ম অধ্যায় (হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি), ২য় অধ্যায় (হিসাবের বইসমূহ), ৪র্থ অধ্যায় (রেওয়ামিল) এবং ৬ষ্ঠ অধ্যায় (প্রাপ্যসমূহের হিসাবরক্ষণ) এই চারটি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্নগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।

হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্রের সৃজনশীল প্রশ্নের খ-বিভাগের জন্য ৪র্থ অধ্যায় (যৌথমূলধনী কোম্পানির মূলধন), ৬ষ্ঠ অধ্যায় (আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ), ৮ম অধ্যায় (মজুত পণ্যের হিসাবরক্ষণ) এবং ১০ম অধ্যায় (ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি) এই চারটি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্নগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করবে।

পরীক্ষার খাতায় উত্তর করার সময় প্রতিটি অংশেই প্রয়োজনীয় গণনাকার্য অবশ্যই দেখিয়ে দিতে হবে। যদি না দাও তাহলে তুমি ঐ অংশে পূর্ণ নম্বর নাও পেতে পার।  যদি তুমি কোনো অঙ্ক উত্তর করার সময় আটকিয়ে যাও তাহলে সেটার জন্য সময় নষ্ট না করে ঐ অংশের জন্য পরীক্ষার খাতায় পর্যাপ্ত জায়গা রেখে অপর একটি প্রশ্নের উত্তর করবে। পড়ে সবার শেষে ঐ অংক দেখবে। প্রতিটি প্রশ্নের (ক), (খ) ও (গ) অংশ অবশ্যই ধারাবাহিকভাবে উত্তর করবে।