ভেঙে পড়ার ছয় বছরেও পুনর্নির্মাণ হয়নি!

আপডেট : ১৩ জুন ২০২০, ২১:১৮

ঝিনাই নদীর ব্রিজ

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

পূর্ব ও পশ্চিম পাকুটিয়া ভেদ করে চলে গেছে ঝিনাই। এ নদীর পাকুটিয়া ব্রিজ ভেঙেছে ছয় বছর আগে। কিন্তু পুনর্নির্মাণ না হওয়ায় যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে হচ্ছে নিদারুণ ভোগান্তি। উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানায়, প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৪ সালে ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ঝিনাই নদীর পাকুটিয়া ব্রিজটি নির্মিত হয়। ২০১৪ সালের আগস্টে মাটি সরে গিয়ে ব্রিজের মাঝখানের দুটি পিলার আলগা হয়ে যায়। তখন বিপজ্জনক ব্রিজের ওপর দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শরীফ হোসেন জানান, এলজিইডি দ্রুত সংস্কার না করায় ২০১৫ সালের মে মাসে মাঝখানের গার্ডারসহ ব্রিজের ৫৪ ফিট নদীতে ভেঙে পড়ে। নদীর পশ্চিম পাড়ে কমিউনিটি ক্লিনিক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। পূর্ব পাড়ে উচ্চ বিদ্যালয় ও বাজার। উভয় পাশের পাকা সড়ক মিশেছে ব্রিজপাড়ে। এ সড়ক ধরে ব্রিজ পার হয় ঝাওয়াইল ও হাদিরা ইউনিয়নের সাত গ্রামের মানুষ।

ঐ গ্র্রামের স্কুলশিক্ষক আব্দুল লতিফ জানান, পাকুটিয়া বিশাল গ্রাম। ব্রিজটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে এক বৃন্তে মিলিয়েছে। কিন্তু ব্রিজ ভেঙে যাওয়ার পর খেয়ানৌকা পারাপারের একমাত্র ভরসা। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়। তিনি দ্রুত ব্রিজটির পুনর্নির্মাণ দাবি করেন। ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয় সাংসদ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এলাকার মানুষের দুর্ভোগের চিত্র দেখানো হয়েছে। এলজিইডি কারিগরি জরিপ করে গেছে। কিন্তু ব্রিজ পুনর্নির্মাণের কোনো লক্ষণ নেই। এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী ফরিদ হোসেন জানান, ্এলজিইডির ‘টাঙ্গাইল প্রকল্প’ এর আওতায় আরসিসি গার্ডার ব্রিজ করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে কাজ হবে।