সমগ্র পৃথিবীর মতো বাংলাদেশেও মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সংক্রমিত হয়েছেন প্রায় এক লাখ মানুষ। এ অবস্থায় সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সাধারণ মানুষ বিরত থাকছে করোনায় মৃতদের দাফন ও সৎকার থেকেও। দেখা দিচ্ছে নানা বিপত্তি। এমন অবস্থায় প্রতিটি এলাকাতেই এগিয়ে এসেছেন অনেকেই। নিয়ম মেনেই নিজ দায়িত্বে করছেন মৃতদের দাফন ও সৎকার। তাদের মধ্যে অন্যতম রুহুল আমিন ও তার দল।
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মারা যান প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধর। তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে তার লাশ সৎকারের জন্য এলাকাবাসী বা উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটি তথা হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে সহযোগিতা চাইলেও এগিয়ে আসেননি কেউ।
এই পরিস্থতিতে মুরাদনগরের সংসদ সদস্য আলহাজ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের নির্দেশনা ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাঈনুল হোসেন খান নিখিল, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক বাহাউদ্দীন বাহার এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন বাবুর পরামর্শে করোনায় এবং এর উপসর্গ নিয়ে মৃতদের মৃতের লাশের সৎকারে গঠন করা হয় মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের দাফন-কাফন কমিটি।

পরবর্তীতে যথাযথ নিয়ম মেনেই রুহুল আমিন ও তার দল তথা মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের দাফন-কাফন কমিটি প্রদীপ চন্দ্র সূত্রধরের মৃতদেহ সৎকার করে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, মাহবুবুল আলম মামুন, মোমেন সরকার, হাফেজ ইব্রাহিম, নাজমুল হাসান, সোহেল,ইয়াছিন আরাফাত বাবু, আলাউদ্দিন বেপারী, নাছির হোসেন, রেজাউল করিম, আক্তার হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার অভিষেক দাশ,শিক্ষক নেতা আবু কাউছার, সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, দাররা ইউপি সচিব নাঈম সরকার, ছাত্রলীগ নেতা রাজিব আহমেদ তুহিন ও সফিক আহমেদ।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
