শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিদ্যুৎ সংযোগের অনুমতি না পেয়ে শতাধিক কৃষক ও সেচ পাম্প মালিক বিপাকে পড়েছেন। দুই মাস পূর্বে উপজেলা থেকে প্রায় দুইশত গভীর নলকূপ মালিক বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করেন বিএডিসিতে। এখনো মেলেনি বিদ্যুৎ সংযোগের অনুমতি।
বোরো মৌসুমের উপযুক্ত সময় এখন। অথচ বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে সেচ পাম্প চালু ও তাদের জমিতে সেচ দিতে পারছেন না কৃষক।
ঝিনাইগাতী উপজেলার নাচন মহুরী গ্রামের আবেদনকারী সেচ পাম্প মালিক কাবুল হোসেন, দড়িকালিনগর গ্রামের মতিউর রহমান, ফরিদ হোসেন, কোনাগাঁও গ্রামের আব্দুর রহমান, পানবর গ্রামের আনোয়ার হোসেন, মোজাফফর, কাংশা গ্রামের ইদ্রিস আলীসহ কয়েকজন সেচ পাম্প মালিক জানান, ইতিপূর্বে উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট থেকে সংযোগের আবেদন গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে উপজেলা চেয়ারম্যান সেচ কমিটির সভাপতির পদ থেকে বাদ হওয়ায় তাদেরকে বর্তমান সেচ কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট থেকে নতুন করে অনুমতি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। গত দুই মাস পূর্বে তারা বিএডিসিতে আবেদন করেছেন। বিএডিসি সরেজমিনে তদন্ত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রতিবেদন দাখিলের পর তা অনুমোদন দেওয়ার কথা থাকলেও আজো অপেক্ষাধীন।
আরো পড়ুন: সেরেনার সার্ভিস বোঝা কঠিন: ফেদেরার
বিএডিসির ঝিনাইগাতী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মাঠ কর্মকর্তা ওবায়দুল হক বলেন, ‘নির্বাচনের কারণে কাজে কিছুটা দেরি হয়েছে। তবে আবেদনগুলো সরেজমিন প্রতিবেদনসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জমা দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ছাড়পত্র দেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ জানান, আবেদনগুলো বিএডিসির প্রকৌশলীর হাতে রয়েছে। আমার হাতে এখনো পৌঁছেনি। তবে হাতে পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/অনি
