প্রস্তাবিত বাজেটে গাড়ি কেনার খরচ বেড়ে যাবে এবং ক্রেতারা নিরুত্সাহিত হবে। করোনার এই সময়ে এমনিতেই গাড়ি ব্যবসায় ধস নেমেছে। এ অবস্থায় গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে করহার বৃদ্ধি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। সংগঠনটি অতিরিক্ত আয়কর প্রস্তাব প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেছে, অনেক পরিবার এখন জীবিকা অর্জনে গাড়িনির্ভর। তাদের খেয়েপরে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রেও এটি বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
বারভিডার সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, বাজেটে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি খাতে অতীতের শুল্ককর বহাল রয়েছে। সেজন্য অর্থমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই। তবে করোনার এই পরিস্থিতিতে অন্যান্য খাতের মতো রিকন্ডিশন্ড গাড়ির বাজারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই এ খাতে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি ঋণ সুবিধা বাড়ালে সরকারের রাজস্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, বারভিডা দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী খাত। করোনা মোকাবিলা এবং আগামী অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে বারভিডা সরকারের পাশে থাকতে চায়। কিন্তু কিছু বৈষম্যের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি কমে গেছে। রিকন্ডিশন্ড এবং নতুন গাড়ির শুল্কায়ন মূল্যে বৈষম্যই এর মূল কারণ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন গাড়ির চেয়ে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির শুল্ককর বেশি হওয়ায় ক্রেতারা বিমুখ হচ্ছেন। ফলে, ব্যবসায়ীরাও ব্যবসা হারাচ্ছেন। আর আমদানি কমে যাওয়ায় রাজস্ব আহরণের পরিমাণও সঙ্গতকারণে কমে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে তিনি অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বিষয়টি ইতিপূর্বে রাজস্ব বোর্ডকেও জানানো হয়েছে। বারভিডার সেক্রেটারি জেনারেল শহীদুল ইসলাম বলেন, বন্দরের ইয়ার্ডে থাকা ৮ হাজার গাড়ির এপ্রিল ও মে মাসের বন্দর ভাড়া মওকূফ করা হলে এগুলোর শুল্ককর পরিশোধ বাবদ সরকার প্রায় হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।
