মুন্সীগঞ্জের জনসংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। করোনা ঝুঁকিতে এ জেলা পঞ্চম। করোনার ৮৫ শতাংশ রোগী ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জে। মুন্সীগঞ্জ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পাশ্ববর্তী জেলা হওয়ার কারণে ঝুঁকি বেড়ে গেছে অনেকগুণ। এছাড়া দেশের দক্ষিণের জেলাগুলোতে প্রবেশ করতে হলে উপযুক্ত এবং নির্ভরশীল পথ হচ্ছে মুন্সীগঞ্জ। বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের পথ হিসেবে মুন্সীগঞ্জ ব্যবহার হওয়ায় এ জেলা করোনা আক্রান্তের রেড জোন হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এছাড়াও মুন্সীগঞ্জবাসীর বিভিন্ন প্রয়োজনে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে অবাধ যাতায়াতের কারণে করোনা আক্রান্তের ঝুঁকির সম্ভাবনা অনেক বেড়েছে। প্রতিনিয়ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে অত্যধিক হারে। এ জেলায় রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় মুন্সীগঞ্জসহ দক্ষিণের জেলাগুলোর ঝুঁকি ও আক্রান্তের হার বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ালে রোগীর সংখ্যাও বাড়বে এতে সন্দেহ নেই। মুন্সীগঞ্জে কোনো পিসিআর ল্যাব নেই। নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়। নমুনা সংগ্রহ ও শনাক্ত বিলম্ব হওয়ায় করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ছে। তাই অবিলম্বে মুন্সীগঞ্জে পিসিআর ল্যাব স্থাপন জরুরি। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক কারণে মুন্সীগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ জেলা। তাই অতি দ্রুত মুন্সীগঞ্জে করোনা টেস্ট ল্যাব স্থাপনের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ
মিরাপাড়া, রিকাবী বাজার, মুন্সীগঞ্জ
