অর্থপাচার আইনে করা মামলায় ক্যাসিনো কাণ্ডে আলোচিত ও বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের ভার্চুয়াল আদালত শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করে।
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে খালেদকে উপস্থিত দেখানো হয়। তার সঙ্গে কারা কর্তৃপক্ষ ছিল। এ সময় মতিঝিল থানার অর্থপাচার মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক রাশেদুর রহমান। অপরদিকে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে ৭ জুন সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াডের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ইব্রাহিম হোসেন বাদী হয়ে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে খালেদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন, আইয়ুব রহমান, আবু ইউনুস ওরফে আবু হায়দার, দীন মজুমদার ও অজ্ঞাত আরো কয়েকজন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অবৈধ প্রভাব বিস্তার ও ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর কমলাপুর রেল ভবন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যুব ভবন, কৃষি ভবন, ঢাকা ওয়াসার ফকিরাপুল জোন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব প্রকল্পের কাজের টেন্ডার একচ্ছত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছেন।
রাজধানীর ফকিরাপুল ইয়ংমেনস ক্লাবে ‘ক্যাসিনো’ চালানোর অভিযোগে গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ বাসা থেকে খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে আটক করে র্যাব। তার বাসা থেকে একটি অবৈধ পিস্তল, ছয় রাউন্ড গুলি, ২০১৭ সালের পর নবায়ন না করা একটি শর্টগান ও ৫৮৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
