বছরের পর বছর সংস্কার না করায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে নান্দাইবাড়ি বেড়িবাঁধের প্রায় সাত কিলোমিটার অংশ। নওগাঁর রাণীনগরে অবস্থিত বাঁধটি এক সময় রাস্তা ছিল। গত কয়েক বর্ষায় ছোটো যমুনার ভাঙনে সরু হয়ে পড়েছে। এখনি সংস্কার না হলে বর্ষায় বাঁধের অবশিষ্ট অংশ ভেঙে যে কোনো সময় তলিয়ে যেতে পারে উপজেলার গ্রামগুলো। জানা গেছে, নদীর পানি কৃষিকাজে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের জন্য আশির দশকে উপজেলার গোনা ইউনিয়নের ঘোষগ্রাম, নান্দাইবাড়ী, কৃষ্ণপুর ও আত্রাই উপজেলার ফুলবাড়ি এলাকায় স্থানীয় সরকারের সহযোগিতায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে সরকারের কোনো দপ্তরই বাঁধের সংস্কার না করায় শুধু বালুর বস্তা আর বাঁশের খুঁটিই যেন শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে এই বাঁধের অবস্থা খুবই বিপজ্জনক। গোনা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত খান হাসান বলেন, বাঁধটির সংস্কার কাজের জন্য বছরের পর বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্তাব্যক্তিদের দুয়ারে দুয়ারে ধরনা দিয়েও কোনো লাভ হয়নি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি বর্ষায় বন্যায় হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই বাঁধটি দ্রুত সংস্কার করা জরুরি। নওগাঁ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার জানান, ঝুঁকিপূর্ণ অংশটুকু নদীর বাঁধ নয়। এক সময় রাস্তা ছিল। কিন্তু নদী ভেঙে যাওয়ার কারণে এখন তা বাঁধে পরিণত হয়েছে। এই ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধটি সংস্কারের বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেছি। অর্থ বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে।
