বিশ্বকাপ অসম্ভব বলছেন মানি

আপডেট : ১৮ জুন ২০২০, ২০:৩৫

আইসিসি আরো একমাস সময় নিয়েছে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান ইতিমধ্যে বলে দিয়েছেন, বিশ্বকাপ আয়োজন অবাস্তব মনে হচ্ছে। এরই মধ্যে অন্যতম অংশগ্রহণকারী দেশ পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, এই করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ আয়োজন সম্ভব বলে মনে হচ্ছে না।

এ বছর অক্টোবর-নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল বিশ্বকাপ। কিন্তু করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সেটা আর অনেকেই সম্ভব মনে করছেন না। পিসিবির চেয়ারম্যান মানি এক ভিডিও কনফারেন্সে বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড যদিও তাদের সরকারের সতর্কতায় কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, তারপরও এ বছর যদি অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপ আয়োজন করা হয়, সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ যেটি হবে, তারা হয়তো চাইবে জীবাণুমুক্ত পরিবেশে আয়োজন করার। পাকিস্তান দলের ইংল্যান্ড সফরের ক্ষেত্রে যেটি করা হবে, একটি হোটেলে থেকে মাঠে আসা ও সবকিছু করা, মাঠে দর্শক না থাকা। দুই-একটি দলের ক্ষেত্রে এসব ঠিক আছে। কিন্তু ১২-১৬ দলের টুর্নামেন্টে এটি প্রায় অসম্ভব। আমার মনে হয় না, এ বছর কোনো আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করা সম্ভব।’

আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ পিছিয়ে যাওয়া এখন বলা যেতে পারে কেবল সময়ের ব্যাপার। সেক্ষেত্রে বড়ো সিদ্ধান্ত হবে, আগামী বছরের বিশ্বকাপ কোথায় হবে। কারণ, আগামী বছর আরেকটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হওয়ার কথা ভারতে।

২০২২ সালে কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট আপাতত সূচিতে নেই। সেই বছরটি কাজে লাগাতে পারে আইসিসি। কিন্তু দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই এক বছর করে পিছিয়ে যাবে, নাকি ভারতে আগামী আসর ঠিক সূচিতে রেখে ২০২২ সালের আসর অস্ট্রেলিয়ায় হবে, এটিই এখন বড়ো সিদ্ধান্ত।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের যা খবর, এই বছর বিশ্বকাপ আয়োজনের আশা ছেড়ে দিয়ে আগামী বছর অক্টোবর-নভেম্বরে আয়োজনে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া। সেক্ষেত্রে ২০২২ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতে হবে পরের আসর। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ভারতের ভাবনার জায়গা হলো, পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে দুটি বিশ্ব আসর আয়োজন কতটা সম্ভব। আইসিসির সাবেক চেয়ারম্যান মানি জানালেন, এসব নিয়েই আলোচনা চলছে, ‘আমার মনে হচ্ছে, বিশ্বকাপ এক বছরের জন্য পিছিয়ে যাবে। আইসিসির সেই সুযোগও আছে, কারণ ২০২০, ২০২১ ও ২০২৩ সালে আইসিসি টুর্নামেন্ট আছে সূচিতে, মাঝে যে এক বছর বিরতি আছে, সেটি পূরণ করা যেতে পারে এবারের আসর পিছিয়ে দিয়ে।’ মানি জানালেন, আগামী তিন-চার সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে।