কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চালু হচ্ছে ১০ শয্যার আইসিইউ, আট শয্যার হা্ই ডিপেনডেন্ট ইউনিট (এইউডিইউ)। এছাড়া আগামী মাসেই ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় যুক্ত হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট। সরকারিভাবে দেওয়া হচ্ছে ১০টি ভেন্টিলেটর ও একটি অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স। এ বিষয়ে ইউএনএইচসিআর-এর মুখপাত্র মোস্তফা মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, শুধু করোনা নয়, এক সঙ্গে প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা আসার পর থেকেই ইউএনএইচসিআর চেষ্টা করেছে শরণার্থী ও কক্সবাজারবাসীর অত্যাধুনিক চিকিত্সাসুবিধা নিশ্চিত করতে। কিন্তু চলমান বৈশ্বিক মহামারির কারণে ইকুইপমেন্ট দেরিতে পৌঁছেছে। এরই মধ্যে ‘আইসিইউ ও এইচডিইউ’ ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল সরঞ্জাম সদর হাসপাতালে পৌঁছেছে।
আগামী ২০ জুন আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, আইসিইউ ও এইচডিইউ পরিচালনার জন্য যারা কাজ করবেন তাদের বেতন-ভাতাও ইউএনএইচসিআর পরিশোধ করবে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সক (আরএমও) শাহীন মো.আবদুর রহমান চৌধুরী বলেন, আইসোলেশন সেন্টারে করোনা আক্রান্ত মৃদু ও মাঝারি উপসর্গের চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করা হয় এখন। আইসিইউ শয্যার চেয়ে বেশি প্রয়োজন এইচডিইউ সেবা। সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রার অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য।কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, জুলাইয়ের মধ্যে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিত্সাসেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে। চলতি মাসে চালু হচ্ছে আইসিইউ এবং এইচডিইউ সেবা।
আগামী মাসের শুরুতে জেলাপর্যায়ে দেশের প্রথম হাসপাতাল হিসেবে চালু হবে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট। এটি চালু হলে তীব্র শ্বাসকষ্টের রোগীসহ করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেনের অভাব হবে না। আর তখন সিলিন্ডারের অক্সিজেনের তেমন প্রয়োজন পড়বে না। তিনি আরো বলেন, অক্সিজেন প্লান্টের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ। ইকুইপমেন্ট চলে এসেছে। এখন শুধু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অনাপত্তি পত্র (এনওসি) পেলেই চালু করা হবে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট। ডা. মহিউদ্দিন বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জন্য ১০টি ভেন্টিলেটর এবং একটি অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দিয়েছে। এগুলোও আগামী মাসের মধ্যেই পেয়ে যাব।
