সালথায় গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩০, বাড়িঘর ভাঙচুর

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৯, ২১:৩২

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষে আহত হয়েছে কমপক্ষে ৩০ জন। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। এ সময় সাতজনকে আটক করা হয়। আহতদের নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয়রা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ফুকরা বাজারে হায়দার সিকদারের সমর্থক লাল মিয়ার সঙ্গে কাউছার মাতুব্বরের সমর্থক রুহুল মোল্যা কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এ সময় লাল মিয়া আহত হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই উভয় দলের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শর্টগানের ২৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ছয়টি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাতের এই সংঘর্ষের সূত্র ধরে বুধবার সকালে উভয়পক্ষের সমর্থকরা আবারো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় চলা এ সংঘর্ষের সময় উভয়পক্ষের অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

খবর পেয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ মাকছুদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার এফএম মহিউদ্দীন, সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ রাতে ২৭ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ছয়টি টিয়ারসেল ও বুধবার সকালে পাঁচ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ১৮টি টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এ সময় সংঘর্ষে লিপ্ত থাকা সাতজনকে আটক করা হয়।