কবিরাজী চিকিৎসার নামে তিন শিশুকে লাগাতার ধর্ষণ

আপডেট : ২০ জুন ২০২০, ২০:১৪

সুন্দরগঞ্জে কবিরাজী চিকিৎসার নামে তিন শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ভণ্ড কবিরাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি উপজেলার পশ্চিম দুলাল গ্রামের।

ভণ্ড কবিরাজের নাম ফারুক মিয়া (৩৬)। তিনি ধর্মপুর গ্রামের মৃত আ. কাদেরের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের জনৈক এক ব্যক্তি দীর্ঘ দিন প্যারালাইসিস রোগে ভুগছিলেন। গত এক মাস থেকে হাতুরে কবিরাজ ফারুক মিয়া তার বাড়িতে অবস্থান করে ঝাড়-ফুঁক দিয়ে চিকিৎসা করছিলেন। কবিরাজের কথা মতো রাত ও দিনে ঝাড়-ফুঁকের সময় তিন কন্যা শিশুকে কবিরাজের চারপাশে নাচতে হতো। 

এভাবে চিকিৎসা করে কবিরাজী দ্বারা মানুষের অঙ্গহানী ও বোবা বানানো যায় বলে ওই বাড়ির লোকদের মনে ভয় সৃষ্টি  করেন। পরে এই ভয়কে পুঁজি করে কবিরাজ ফারুক পালাক্রমে ওই তিন শিশুকে ধর্ষণ করতে থাকেন। ঘটনা কাউকে বললে তাদের জীবনে বিয়ে হবেনা এবং বিয়ে হলেও সাতজন স্বামী হবে বলে হুমকি দেন কবিরাজ। 

আরও পড়ুন: হালদায় দ্বিতীয় দফায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ

এমন অবস্থায় এক শিশু তার পরিবারের কাছে কবিরাজের কুকীর্তির কথা ফাঁস করে দেয়। পরে একজন অভিভাবক বাদি হয়ে শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুল্লাহিল জামান জানান, ওই তিন শিশুর অভিভাবক তিনজন। শিশুদের বয়স যথাক্রমে ১০, ১১ ও ১৩ বছর। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ভণ্ড কবিরাজকে গ্রেফতার করে  শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলে পাঠিয়েঠে। শিশুদের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা  হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ইত্তেফাক/এসি