স্পোর্টস ডেস্ক
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অন্তিম সময়ের পেনাল্টিতে টটেনহ্যামের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে। এর ফলে শীর্ষ চারের আশা জিইয়ে রেখেছে তারা। অন্যদিকে এই ড্রয়ের ফলে টটেনহ্যামের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে উত্তরণের আশা ফিকে হয়ে এসেছে।
শুক্রবার রাতে নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই ম্যানইউ’র বিপক্ষে আধিপত্য বিস্তার করছিল টটেনহ্যাম। ২৭ মিনিটে তারই সুফল পায় স্পার্সরা। রাইটব্যাক সার্জি অরিয়ের বাড়ানো লম্বা বল থেকে ইউনাইটেড রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে গোল করেন স্টিভেন বার্গউইন।
তবে টটেনহ্যাম আক্রমণ আর ইউনাইটেড রক্ষণের লড়াইয়ের চিত্রটা পালটায় মিডফিল্ডার পল পগবার ফেরায়। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে তিনি নেমেই পরিস্থিতি বদলে দেন, অন্তিম সময়ের পেনাল্টিটাও আদায় করেন তিনিই। ৮৬ মিনিটে পেনাল্টিটি থেকে গোল করেন দলকে সমতায় ফেরান ব্রুনো ফার্নান্দেজ।এই ড্রয়ের পর শীর্ষ চারের সঙ্গে টটেনহ্যামের পয়েন্ট ব্যবধানটা রইল ছয়েই। আজ রাতে চেলসি অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে জয় তুলে নিলেই ব্যবধানটা গিয়ে ঠেকবে নয় পয়েন্টে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ সাত ম্যাচ ধরে জয়হীন টটেনহ্যাম। শেষ চার বছরে এর চেয়ে বেশি ম্যাচ ধরে জয়হীন ছিল না তারা।
কোচ হোসে মরিনহোও ক্যারিয়ারে এত বাজে সময় কাটাননি আর কখনোই। তবে ড্রয়ের দায়টা তিনি দিলেন রেফারিংয়ের ওপর। মরিনহোর কথা, ‘রেফারি ভুল সিদ্ধান্ত দিতেই পারেন কিন্তু সেগুলোকে ঠিক করার দায়িত্ব তো ভিএআরের! দ্বিতীয় পেনাল্টির দোষ অবশ্য রেফারিরই। কারণ, এর একটু আগেই সে আমাদের নিশ্চিত ফ্রি কিক না দিয়ে খেলা চালু রেখেছিল। তবে ইউনাইটেডের বিপক্ষে এটা হওারই কথা। তাদের পেনাল্টি পাওয়ার ইতিহাস সমৃদ্ধ।’এদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যেন রীতিমতো উড়ছে। এ নিয়ে শেষ ১২ ম্যাচে অপরাজিত রইল দলটি, যা কোচ ওলে গুনার সোলসারের অধীনে তাদের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ ধরে অপরাজিত থাকার কীর্তি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরারও খুব কাছাকাছি আছে তারা। চারে থাকা চেলসি থেকে পিছিয়ে আছে দুই পয়েন্টে।তবে ইউনাইটেড কোচ সোলসার খুশি বহুদিন পর পগবাকে ফিরে পেয়েই।
তিনি বলেন, ‘একজন মিডফিল্ডারের যা যা করা প্রয়োজন পল তার সবই করেছে, তার জন্য বেশ খুশি আমি। চোটের কারণে খুব বেশি কিছু দিতে পারেনি চলতি মৌসুমে। আশা করি পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে সেরাটা দিতে পারবে সে।’
