বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সম্পর্ক জোরদার ও ক্রান্তিকালে যোগাযোগ আরো বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটি। একই সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সম্প্রসারণবাদের মাধ্যমে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার অপচেষ্টা চালানোর জন্য চীনকে অভিযুক্ত করেছে সংগঠনটি। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমবেত বাংলাদেশ সচেতন নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক। বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা নেতা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, অধ্যাপক কাজল আলী, সাংবাদিক বাসুদেব ধর, জনপ্রতিনিধি চিত্তরঞ্জন দাশ, গণসংগঠনের নেতা মতিলাল রায় প্রমুখ।
বক্তাগণ বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ অভিন্ন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বন্ধনে আবদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে একসঙ্গে রক্তদানের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরো শক্ত ভিত্তি পেয়েছে। আমরা সকলের সঙ্গে, বন্ধুত্ব চাই, যারা আমাদের অভিন্ন আদর্শ ও নীতিমালার সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করে। পাকিস্তান আমলে এবং মুক্তিযুদ্ধে চীন পাকিস্তানকে সরাসরি সমর্থন করেছে, চীনা অস্ত্রে লাখ লাখ বাঙালি প্রাণ হারিয়েছে। এই অঞ্চলে পাক জঙ্গি তত্পরতাকে চীন সক্রিয় সহায়তা করে। মিয়ানমারকে প্রত্যক্ষ মদত দিয়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে বাধ্য করেছে। অন্যদিকে চীন অভ্যন্তরীণভাবে উইঘর মুসলমানদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, তাদের নাগরিক অধিকার হরণ করেছে।
বক্তারা আরো বলেন, চীন নিজ দেশে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পদদলিত করে অন্য অঞ্চল দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতাকামী মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তি এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বিশ্বাসী সব মানুষকে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান বক্তারা।
