ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটে প্রতারণা!

আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৯, ২২:০৭

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের তারে প্রতিটি শহর ছেয়ে গেছে। দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার ঝুলছে— ‘ইন্টারনেট সংযোগ’ দেওয়া হয়। দ্রুতগতির ইন্টারনেটপ্রাপ্তির নিশ্চয়তায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ নেয় সবাই। কিন্তু প্রতারিত হতে হচ্ছে। একটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিতে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা সংযোগ চার্জ দিতে হয়। তারপর চাহিদা অনুযায়ী ইন্টারনেটের গতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয় মাসিক বিল। ১ এমবিপিএসের জন্য ৬০০-৭০০ টাকা, ২ এমবিপিএসের জন্য ১০০০-১২০০ টাকা ইত্যাদি হারে। কিন্তু মাস শেষে নির্ধারিত মূল্য নিলেও শর্ত মোতাবেক ইন্টারনেটের গতি ঠিক রাখে না। যারা অফিসিয়াল কাজকর্ম করেন, তাদের অবস্থা হয় খারাপ। ইন্টারনেটের দুর্বলতায় হাজার হাজার কাজ আটকে যায়। অনেক সময় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে। অভিযোগ করলে নানা অজুহাত দেখায়।

একটি এলাকায় একজন কিংবা দুজন নয়—অনেকেই ইন্টারনেটের ব্যবসা করেন। কিন্তু প্রত্যেকেই যেন গ্রাহকদের ঠকিয়ে চলেছে। ১ এমবিপিএসের টাকা নিলেও গ্রাহকেরা ১২৮ কেবিপিএস গতিও পায় না। অথচ দামের ক্ষেত্রে ঠিকই ষোলো আনা। মূলত এই ব্রডব্যান্ড ব্যবসা ব্যক্তি মালিকানাধীন হওয়ায় জবাবদিহিতার অভাবে এই অবস্থা। এ অবস্থায়, বাংলাদেশ সরকারের সংশি­ষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসায় একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। গ্রাহকেরা প্রতারিত হলে অভিযোগ দায়ের করার মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার আইনের দ্বারা ব্যবসায়ীদের জরিমানার আওতায় আনতে হবে।

মোহাম্মদ অংকন

উত্তরা, ঢাকা