কেরানীগঞ্জে করোনা ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে লঞ্চে যাতায়াত

আপডেট : ২১ জুন ২০২০, ২১:৫১

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা

কেরানীগঞ্জে রেড জোনে থাকা শাক্তা ইউনিয়ন পরিষদের খোলামুড়া লঞ্চঘাট থেকে করোনা ঝুঁকি নিয়ে গাদাগাদি করে প্রতিদিন অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে শত শত পেশাজীবী রাজধানীর সোয়ারিঘাটে যাওয়া-আসা করছে। প্রতিদিন অন্তত আটটি লঞ্চ ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত আধাঘণ্টা পরপর এ রুটে যাতায়াত করছে। কেরানীগঞ্জে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা শনিবার পর্যন্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৪ জনে। তারপরও এলাকাবাসী সতর্ক না হয়ে এভাবে গাদাগাদি করে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে যাতায়াত করছে ।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেবনাথ জানান, কেরানীগঞ্জে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমাতে এলাকাবাসীকে সচেতন ও লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে দুই জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৪৫ জন র?্যাব সদস্য, ৪৩ জন পুলিশসহ উপজেলা প্রশাসনের ১৫ কর্মকর্তা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। দিন দিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এরই মধ্যে ১২ ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে জিনজিরা ও শাক্তাসহ সাতটি ইউনিয়নকে রেড জোন এবং কলাতিয়া ও তারানগরসহ তিনটি ইউনিয়নকে ইয়েলো জোন ঘোষণা করা হয়েছে। পক্ষান্তরে তেঘুরিয়া ও হযরতপুর ইউপিকে গ্রিন জোন ঘোষণা করা হয়েছে। তারপরও কেরানীগঞ্জবাসীকে কোনোভাবেই সচেতন করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, যতক্ষণে এলাকাবাসী নিজ থেকে পরিবর্তন ও সচেতন না হবে ততক্ষণ করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমানো সম্ভাব নয়। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, রেড জোনে থাকা শাক্তা ইউনিয়নসহ খোলামুড়া লঞ্চঘাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যাতে করে কেউ অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে উঠতে না পারে সে ব্যাপারে পুলিশ নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।