চাঁদের ছায়া তার গতিপথে একটু একটু করে ঢেকে দিল সূর্যকে। আর পৃথিবীর বুকে দিনের বেলাতেই ঘনিয়ে এলো সন্ধ্যার অন্ধকার। ২১ জুন ছিল বছরের দীর্ঘতম দিন। আর এই দিনেই এ বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ। পৃথিবী জুড়েই এই মহাজাগতিক বিস্ময়ের সাক্ষী হলেন অনেকেই। বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়ার ভারত, পাকিস্তান, চীন, তিব্বত, তাইওয়ান, হংকং, সৌদি আরব, নেপাল, ওমান, কম্বোডিয়া থেকে ব্যাপক উত্সাহ নিয়ে মানুষ সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করেন। এছাড়া এশিয়ার বাইরের কয়েকটি দেশ থেকেও এটি দেখা যায়।
গতকাল উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকা, যেমন—কুরুক্ষেত্র, দেরাদুন, চম্বা, চামেলি, যোশিমঠ, আগরতলা ইত্যাদি জায়গা থেকে এই গ্রহণ দেখা যায়। এসব এলাকায় লাখ লাখ মানুষ গ্রহণ দেখার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে। উত্সবের আমেজ ছিল কলকাতাতেও। কিন্তু এ দিন সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা ছিল। বৃষ্টিও হয়েছে। তাই সব স্থান থেকে ভালোভাবে সূর্যগ্রহণ দেখা যায়নি।
বলয়গ্রাস গ্রহণ মানেই সূর্যের ‘রিং অব ফায়ার’ দর্শন। চাঁদের ছায়া ঢেকে দেয় সূর্য। কেবল দেখা যায় সূর্যের কিছু অংশ, যা আগুনের বলয়ের মতো। তাই এর নাম বলয়গ্রাস। গ্রহণের এই দৃশ্যটুকু সবার কাছে মূল আকর্ষণ।
