এবার টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

আপডেট : ২২ জুন ২০২০, ২১:৪০

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে বিশাল আকৃতির একটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সোমবার ( ২২ জুন) সকালে ঢেউয়ের তোড়ে তীরে উঠে আসা ডলফিনটির হাম্পব্যাক প্রজাতির ডলফিন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃপক্ষ।

তবে, শনিবার (২০ জুন) বিকেলে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের পশ্চিম-পাড়া সৈকতে একটি বিশাল আকৃতির মাছকে ঢেউয়ের জলের সাথে তীরে আসা-যাওয়ায় দেখার একদিন পর সোমবার সকালে ডলফিনটির মরদেহ তীরে ভেসে এসেছে। সৈকত তীরে বসানো ব্লকের কংক্রিটে শনিবার ঢেউয়ের জলে বড় আকারের সেই মাছটি আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জেলে ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। এ অবস্থায় ব্লকে আটকা পড়া মাছটিকে স্থানীয় জেলেরা গভীর জলে ফিরে যেতে সহায়তা করে। কিন্তু সোমবার সকালে তীরে আসা মৃত ডলফিনটিই শনিবারে জোয়ারের জলে ব্লকে এসেছিলো বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। কিন্তু শনিবারের সেই বিশাল আকৃতির মাছটিকে  তিমির বাচ্চা বলে অবহিত করেছিলেন অনেকে।  

এদিকে, মৃত ভেসে আসা প্রাণীটি সম্পর্কে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট কক্সবাজার কার্যালয়ের সিনিয়র সায়েন্টিফিক অফিসার ড. এহসানুল করিম বলেন, এটি ইন্দো-প্যাসিফিক বোতল নাক (হাম্পব্যাক) ডলফিন নামে পরিচিত। এই প্রজাতিগুলো দলবদ্ধ হয়ে চলাফেরা করে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে, খাবারের সন্ধানে দলছুট হয়ে ডলফিনটি টেকনাফের কাছাকাছি এসেছিল এবং আঘাত পেয়ে মারা গেছে।
 
তিনি আরো বলেন, ৯-১০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই মাছটির ওজন ১৬০ কেজি হতে পারে। মূলত এই মাছগুলো ভারত এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ক্রান্তীয় জলে পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ সাধারণ ডলফিনের বিপরীতে, এই ডলফিনগুলো অগভীর, উপকূলীয় জল পছন্দ করে। ফলে এ মাছ আশপাশের অঞ্চলে দেখা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

ইত্তেফাক/এসআই