সড়ক চলে যাচ্ছে ঝিনাইয়ের গর্ভে

আপডেট : ২৪ জুন ২০২০, ২১:২৪

তীর সংরক্ষণের দাবি

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

দাবি ছিল এক কিলোমিটার তীর সংরক্ষণের। তার আগেই পাড়ে হলো পাকা সড়ক। সেই সড়ক গিলে খেয়েছে নদী। এখন পাঁচ গ্রামের মানুষকে চার কিলোমিটার ঘুরে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। গোলাবাড়ী গ্রামের স্কুলশিক্ষক জহুিরুল ইসলাম এভাবেই  ঝাওয়াইল-জামতৈল রাস্তার ভাঙন এবং নদীর তীর সংরক্ষণের অভাবে জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরেন।  এনজিও কর্মী জাকির হোসেন প্রিন্স জানান, নদীর তীর সংরক্ষণ না করে এলজিইডি এক দশক আগে কিয়দংশ পাকা করে। আবাদি জমি, বাঁশঝাড়সহ ্পাকা রাস্তা চলে গেছে নদীগর্ভে। এখন কারো বাড়ির উঠোন, ঝোপজঙ্গল বা আবাদি জমি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে হয়। গোলাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা বেগম জানান, রাস্তা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় চর পাড়া, পশ্চিম জামতৈল, দক্ষিণ গোলাবাড়ীর শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসতে খুবই অসুবিধা। ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান,  শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয় সরকারের টাকায় ফেলা মাটি বর্ষায় নদীগর্ভে চলে যায়। ঝিনাই বাঁক খেয়ে এখানে অবিরাম ভাঙে। তীর সংরক্ষণে গাইড বাঁধ না হওয়ায় সমস্যা মিটছে না। গোপালপুর এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী এম মোস্তফা জানান, নদীতীর ধরে দেড় কিলোমিটার রাস্তা পাকা হয়েছে। আরো এক কিলোমিটারের প্রস্তাব গেছে। কিন্তু ঐ অংশ ভাঙনপ্রবণ। তীর সংরক্ষণ না হলে আবার তা নদীর পেটে যাবে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, ঝিনাই নদীর তীর সংরক্ষণ ও ভাঙন রোধের জন্য ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে গেছে। স্থানীয় এমপি ছোটো মনির জানান, করোনার কারণে এসব প্রকল্প পাশে বিলম্ব হচ্ছে।