গণস্বাস্থ্যে গিয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে দেখে এসেছেন অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ

আপডেট : ৩০ জুন ২০২০, ০১:০১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ গতকাল সোমবার গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে দেখতে গেছেন। এ সময় তিনি জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক এবং চিকিত্সার খোঁজখবর নেন। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে কিছু সময় থাকার পর বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণস্বাস্থ্যের পরিচালক অধ্যাপক ডা. শওকত আরমানকে অধ্যাপক আবদুল্লাহ প্রতিদিন ফোন করে তাকে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থার ফলোআপ জানাতে অনুরোধ করেন। নিজেও ফোন করে খোঁজ নেবেন বলে জানান। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু এ তথ্য জানান। ডা. আরমানের বরাত দিয়ে মিন্টু জানান, অধ্যাপক আবদুল্লাহর সঙ্গে আলাপের সময় জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে মানসিকভাবে অনেক উজ্জীবিত দেখা যায়। এদিকে, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট চিকিত্সকদের বরাতে মিন্টু জানান, তার শরীরে জ্বর নেই তবে দুর্বল। দুর্বলতার কারণে কথা বলেন আস্তে আস্তে। নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হচ্ছে। নিয়মিত কিডনি ডায়ালাইসিস হচ্ছে। অক্সিজেন সাপোর্ট প্রয়োজন হচ্ছে না।

লায়লা আরজুমান্দ বানুর মৃত্যুতে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মেহের আফরোজ চুমকী এমপি, ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি, শামসুন নাহার এমপি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

এছাড়া ঢাকাস্থ গাজীপুর অফিসার্স ফোরাম, ঢাকাস্থ গাজীপুর উন্নয়ন পরিষদ, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন, গাজীপুর প্রেস ক্লাব, গাজীপুর পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ, শহিদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

বঙ্গবন্ধু পরিষদ সেগুনবাগিচা শাখার সভাপতি পেয়ারা খান ও সাধারণ সম্পাদক হারুন