সোহেল সারোয়ার চঞ্চল
করোনা ভাইরাসের প্রকোপে প্রায় দেড়শ গলফার অনিশ্চিত জীবনের পথে, যাদের হাতে নেই কোনো খেলা। গলফ কোর্স বন্ধ। খেলা থাকলে আয়ের একটা পথ খোলা থাকে। কমবেশি আয় দিয়ে জীবনসংসার চালানোর সুযোগ থাকে। চার মাস ধরে কষ্টে থাকা দেড়শ গলফারের পক্ষে দেশের তারকা গলফার জামাল হোসেন মোল্লা বিসিবির সহযেগিতা চাইলেন।
বিসিবি ক্রিকেট খেলার বাইরেও দেশের অন্যান্য খেলার ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যেমে বড়ো অঙ্কের অর্থ দিয়েছে। গলফাররা যদি বিসিবির কাছে সহযোগিতা পায়, তাহলে এই মুহূর্তে সেটা খুবই উপকারে আসবে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের নজরেও এসেছে। আমরা এরই মধ্যে অন্যান্য ডিসিপ্লিনে সহযোগিতা করেছি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।’ গলফারদের সহযোগিতার বিষয়ে সুজন বলেন, ‘আলাদা করে সহযোগিতা দেওয়ার পরিকল্পনা নেই। তবে আমাদের কাছে এটি একটি মানবিক বিষয়।’
জামাল মোল্লা বলছিলেন, ‘দুই-চার জন ছাড়া সবাই করুণ অবস্থায় রয়েছেন। ঢাকার মতো একটা জায়গায় বাসা ভাড়া করে থাকার মতো অবস্থা নেই। আমরা দেড়শ গলফার আছি, যারা আর কোনো কাজ পারি না। খেলা ছাড়া কোনো কিছু শিখিওনি। আমাদের ইনকাম বলতে এই গলফ খেলাটা ছাড়া আর কিছুই নেই। এখন কেউ মৌসুমি ফল বিক্রি করছে। ডাব, আম বেচে পেট চালাতে হচ্ছে।’
ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ক্রীড়াবিদদের সহযোগিতা দিলেও গলফাররা সেই তালিকায় ছিলেন না। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল তখনই বলেছিলেন, তারা সব ফেডারেশন হতে নাম পাননি। গতকাল ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রথমবার অর্থ সহযোগিতা দেওয়ার তালিকায় গলফারদের নাম ছিল না। মন্ত্রণালয় আরেকবার ফেডারেশনগুলোর কাছ থেকে নাম চাইতে পারে। নাম পাওয়া গেলে গলফাররাও অর্থ পেতে পারেন।
