শততম বর্ষে পদার্পণ

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ইতিহাসের অংশ’

আপডেট : ০২ জুলাই ২০২০, ০০:৫৬

জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় নয়, বরং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি আরো বলেন, বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, মহান স্বাধীনতা আন্দোলনসহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সংক্ষিপ্ত  আকারে পালন করা হয় দিবসটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ওড়ানোর মাধ্যমে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয় সকাল ১০টায়। ১৯২১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সীমিত কর্মসূচি গ্রহণ করা  হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সভার শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শাহাদতবরণকারী, বিগত বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুবরণকারী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং করোনা মহামারিতে চিকিত্সক, নার্স ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ নিহতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।