সিলেট বিভাগে লাগামহীনভাবে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছেন শতাধিক মানুষ। মারা যাচ্ছেন গড়ে প্রতিদিন দুই-তিন জন। উপসর্গ ছাড়াও মারা যাচ্ছেন অনেকে। এর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না চিকিত্সকরাও। করোনা আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত দুই চিকিত্সকের মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার আওয়ামী লীগের ও বিএনপির কেন্দ্রীয় দুই জন নেতা করোনা আক্রান্ত হয়ে সিলেট নর্থ-ইস্ট হাসপাতালের আইসিউতে ভর্তি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিভাগীয় এই শহরের নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
তারা বলছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে বুধবার পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ৪ হাজার ৮৬১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। প্রতিদিন শতাধিক রোগী আক্রান্ত হলেও শুধুমাত্র নগরীতে ১০০ শয্যার শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেডেট হাসপাতাল করা হয় শুরুতে। গত শনিবার খাদিমপাড়ার ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে শুধু আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়। যা আক্রান্তের তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া বেসরকারিভাবে সিলেটে দুটি হাসপাতালে করোনা চিকিত্সা শুরু হয়েছে। যার ব্যয় অত্যধিক। এমতাবস্থায়, সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও করোনা চিকিত্সা শুরুর দাবি জানিয়েছেন তারা। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও করোনা চিকিত্সা শুরু না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে। সেখানে আলাদা বিল্ডিং ও ওয়ার্ডকে আইসোলেটেড করে করোনা চিকিত্সা শুরু সম্ভব। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগী নন। অথচ দেশের অনেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা চিকিত্সা শুরু হয়েছে। সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, সংক্রমণ রোধে আইসোলেটেড পদ্ধতি বেশি কার্যকর। সুতরাং, বড় আকারে আইসোলেশন সেন্টার স্থাপন ছাড়া গত্যন্তর নেই।
