এমপি পাপুলকাণ্ডে জড়িত দুই কুয়েতিকে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২০, ০০:২৪

কুয়েতে মানব ও অর্থ পাচার, ভিসা ব্যবসা এবং ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে কারাগারে থাকা বাংলাদেশের সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের সঙ্গে সম্পর্কিত দুই কুয়েতিকেও কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশটির সরকারি কৌঁসুলিরা। গতকাল শুক্রবার কুয়েতের ইংরেজি সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়।

খবরে বলা হয়েছে, কুয়েতের জনশক্তি কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা ও জাতীয় পরিষদের এক সাবেক প্রার্থীকে ২১ দিনের জন্য কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে এমপি পাপুলের আটকাদেশ আরো ২১ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন দেশটির সরকারি কৌঁসুলিরা। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের অধিকতর তদন্তের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এমপি পাপুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে কুয়েতের ইতিহাসে বৃহত্তম মানব পাচারের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই অভিযোগে কুয়েতের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও নেতাদের নাম প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুন মানব পাচার ও অর্থ পাচারের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পাপুলকে গ্রেফতার করে কুয়েতের সিআইডি। আটক করা হয়েছে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও ঘনিষ্ঠ মূর্তজা মামুনকে। পাপুলের বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে কর্মী নিয়োগ, রেসিডেন্সি আইনের লঙ্ঘন ও ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে ৬ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠনের কথা রয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তার পাঁচ থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে বলে কুয়েতের গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।