৫০ কেজি গাঁজাসহ আবার শীর্ষ ২ মাদকব্যবসায়ী গ্রেফতার

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২০, ১১:৩৭

মাদক ব্যবসায়ীরা নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার করছে সীমান্ত সংলগ্ন জেলা জয়পুরহাটকে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে ৫০ কেজি গাঁজাসহ আবারও দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা। ১০ দিন আগে একই এলাকা থেকে ৩৭ কেজি গাঁজা সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আটক দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে সাইফুল ইসলাম (৩২)। সে কুমিল্লা জেলার  বুড়িচং উপজেলার  চাঁনসার গ্রামের সামসুল হকের ছেলে ও শিপন মিয়া (৩৫) একই  উপজেলার পাঁইকোঠা গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব সূত্র জানায়, পিকআপ থেকে গাঁজা বিক্রি করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে শুক্রবার রাত ২টার ‍দিকে জেলার কালাই উপজেলার পুনট নান্দাইল দিঘী মোড় এলাকায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় গাঁজা বহনকারী পিকআপসহ সাইফুল ইসলাম ও শিপন মিয়াকে হাতে নাতে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে কৌশলে নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট পিকআপযোগে সরবরাহ করে আসছিল।

জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম মোহাইমেনুর রশিদ জানান, অভিযানের সময় ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক বিক্রির ১৬শ টাকা, মোবাইল সেট ২টি, সিম কার্ড ৩টি ও পিকআপটি জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ সাইফুল ইসলাম ও শিপন মিয়াকে কালাই থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং মাদককে নির্মূল করতে র‌্যাবের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অপরদিকে, গত ২৪ জুন রাত সাড়ে ৯টায় একই স্থান কালাই উপজেলার পুনট বাজার এলাকায় র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে শফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ৩৭ কেজি গাঁজাসহ আটক করে। শফিকুলও কুমিল্লা জেলার  ব্রাক্ষ্মপাড়া উপজেলার উত্তর তেতাভূমি গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে। গাঁজা বহনকারী পিকআপসহ শফিকুলকে আটক করা হয়। ২২ জুন জেলার পাঁচবিবি উপজেলার পূর্ব চেঁচড়া এলাকা থেকে বিদেশী মদ-২১ প্যাকেটসহ শরিফুল ইসলাম (২৭) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়াও জুন মাসে বিপুল পরিমান ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা। ফলে দেশের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীরা সীমান্ত সংলগ্ন জয়পুরহাট জেলাকে মাদক আমদানীর নিরাপদ রুট হিসাবে ব্যবহার করছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন জেলার সচেতন মহল।

ইত্তেফাক/আরকেজি