জান-ই-আলম
সাধারণত প্রতি বছর মে মাসে স্কোয়াড ঘোষণা করা হয় বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি)। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের পর শুরু হয়ে প্রায় তিন মাস চলে এইচপি ক্যাম্প। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে এখন বাংলাদেশে স্থগিত হয়ে আছে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম। সঙ্গতকারণে চলতি বছরে এইচপির ক্যাম্পও শুরু হয়নি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী।
করোনার বিরতিতে কার্যত এখনই এইচপি ক্যাম্পের সময়টা অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে। তাই বলে এ বছর এইচপি ক্যাম্প বাতিল হয়ে যাচ্ছে না। বিকল্প উপায়ে এইচপি ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল এমনটাই বলেছেন এইচপি প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয়। করোনার ধাক্কা কাটিয়ে ক্রিকেট মাঠে ফিরলে পাশাপাশি এইচপি ক্যাম্প শুরু হবে। ঘরোয়া, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ফাঁকে ফাঁকে প্রতিশ্রুতিশীল, প্রতিভাবান তরুণদের নিয়ে এ বিশেষায়িত ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে।
জুলাই মাস চলছে, ক্রিকেট কবে শুরু হবে তারই ইয়ত্তা নেই। তার পরও এইচপি ক্যাম্প আয়োজনের আশা ছাড়েননি নাঈমুর রহমান দুর্জয়। বিসিবির এই পরিচালক গতকাল বলছিলেন, ‘এই সময়টা তো কাভার করতে হবে। তাছাড়া খেলা যদি শুরু হয় খেলার ফাঁকে ফাঁকেও আমাদের প্রোগ্রাম আমরা চালাতে পারি। একটা বিকল্প পরিকল্পনা রাখব আমরা।’
জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু গতকাল জানিয়েছেন, ২৬ জনের এইচপি স্কোয়াড তৈরি করে রেখেছেন তারা। করোনার কারণে শুরু হয়নি ক্যাম্প। তবে করোনার পর জাতীয় দলের সঙ্গে এইচপির ক্রিকেটারদের অনুশীলনও শুরু হবে। বছরের শুরুতে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী বাংলাদেশ যুব দলের কয়েকজন ক্রিকেটার থাকবেন এইচপি দলে।
সেপ্টেম্বরে এইচপি দলের শ্রীলঙ্কায় সফর, জানুয়ারিতে হোমে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার খসড়া সূচিও নাকি তৈরি রয়েছে। দুর্জয় বলেন, ‘এখন আসলে পরিস্থিতি তো স্বাভাবিক না। আমরা স্কোয়াড করে আমাদের যে সফটওয়্যারের প্রোগ্রামগুলো আছে, সেগুলোতে আমরা এইচপিকে এখন রাখতেছি। কারণ তো আমাদের কোচ নিয়োগ দিলেও কোচ তো আসবে না বা প্র্যাকটিস করানোর মতো পরিস্থিতি নাই। আমরা কোচ কাকে নেব, সেটা নিয়েও আলাপ-আলোচনা এগিয়েছিল। এখন সবকিছুই আপাতত স্থগিত আছে। পরিস্থিতি যখন স্বাভাবিকের দিকে যাবে তখন আমরা আবার এটা নিয়ে কাজ করব।’
পাঁচ বছর আগে শুরু হওয়া (২০১৫ সাল) এইচপির সর্বশেষ হেড কোচ ছিলেন সিমন হেলমুট। এই অস্ট্রেলিয়ানের পদত্যাগের পর নতুন কোচ নিয়োগ দেয়নি বিসিবি।
