ঢাবিতে সকল শিক্ষার্থীর অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুবিধা নিশ্চিতের দাবি

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২০, ১৫:৩৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সকল শিক্ষার্থীর অনলাইনের শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুবিধা নিশ্চিত করে তবেই অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ। একই সাথে সাতটি দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানকে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল রবিবার (৫জুলাই) ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক আদনান আজিজ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  

স্মারক প্রদানের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী গ্রামে অবস্থান করছেন। গ্রাম এলাকায় ও পার্বত্য এলাকার শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ কষ্টসাধ্য। এর ওপর করোনা মহামারিতে টিউশনি না থাকায় অনেক শিক্ষার্থীর পক্ষে প্রতিদিন ডেটা কিনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করাও অসম্ভব বিষয়। অনেকের কাছে স্মার্ট ডিভাইস পর্যন্ত নেই।

স্মারকলিপিতে দেওয়া ছাত্র ইউনিয়নের সাতটি দাবি হচ্ছে-  

১. প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অনলাইন ক্লাস করার যাবতীয় ডেটা খরচ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রদান করতে হবে। আর্থিক সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।
২. যেসকল শিক্ষার্থীদের ডিভাইস নেই, তাদের চিহ্নিত করে ডিভাইস কেনার জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. রাষ্ট্র ও টেলিকম অপারেটরদের সহযোগিতা নিয়ে সব শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৪. প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে।
৫. প্রত্যেকটি ক্লাস যেকোনো সময় যেন যেকোনো শিক্ষার্থী ডাউনলোড করতে পারে তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটসহ, ডিপার্টমেন্টের ফেসবুকগ্রুপ, ইউটিউব ও গুগলড্রাইভে আপলোড করে মুক্ত অবস্থায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
৬. ক্লাসে উপস্থিতির ক্ষেত্রে কোনো বাধ্য বাধকতা বা মার্কস রাখা যাবেনা। এসকল ক্লাসকে অফিসিয়াল ক্লাস হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।
৭. শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাউন্সিলিং কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে।

স্মারকলিপি প্রদানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি সাখাওয়াত ফাহাদ, সাধারণ সম্পাদক রাগীব নাঈমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/এএএম