কামরুল হাসানের ‘মেডিস্টোর’

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২০, ২০:৪৬

কামরুল হাসান। একজন তরুণ উদ্যোক্তা। ইন্টারপ্রিনিউর ক্লাব অফ বাংলাদেশ (ই-ক্লাব)-এর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত কামরুল প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশের স্বয়ংসম্পূর্ণ মেডিক্যাল সার্ভিসেস কোম্পানি। কামরুল হাসানের সঙ্গে কথোপকথনে জানা গেলো তার নানা কাজের কথা—

 

আপনার শৈশব সম্পর্কে কিছু বলুন।

আমার শৈশব ও কৈশোরের বেশির ভাগ সময় কেটেছে নানার বাড়ি ফেনীতে। প্রচন্ডরকম দুরন্তপনা আর উচ্ছলতায় কেটেছে। প্রাথমিক শিক্ষা ফেনীতে হলেও মাধ্যমিকে পড়াশোনা করেছি ফেনী ও কুমিল্লা—এই দুই জায়গায়। ভালো ছাত্র হিসেবে সুনাম ছিল সবখানেই।

 

মেডিক্যাল সার্ভিসেস পণ্যের সঙ্গে জড়ালেন কীভাবে?

পড়াশোনার পাশাপাশি আমি মেডিক্যাল রিলেটেড প্রতিষ্ঠানে জব করতাম। ২০০৭ সালের শেষের দিকে দাল্লা মেডিক্যাল সেন্টারে থাকাকালীনই মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বিজনেস শুরু করি। ব্যবসার শুরুতেই সফলতা আসায় ২০০৮ সালে চাকরি ছেড়ে পুরোদমে ব্যবসায় মনোনিবেশ করি।

কোন কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন?

১৯৯৯ সালে এশিয়ান ডায়াগনস্টিক সেন্টার দিয়ে শুরু, আর ২০০৮ সালে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান দাল্লা মেডিকেল সেন্টার দিয়ে শেষ!

 

মেডিস্টোরের শুরু সম্পর্কে কিছু জানতে চাই।

শুরুর দিনগুলো থেকে আজ পর্যন্ত অনলাইন প্রমোশন বলতে কিছুই করেনি মেডিস্টোর। শুধু নিশ্চিত করেছে প্রোডাক্টের গুণগত মান আর কাস্টমারের সন্তুষ্টি। বলে রাখা ভালো, তখন পুরো টিম মাত্র তিনজন সামলেছেন। সেই টিমটা বর্তমানে একটা অবয়ব পেয়েছে; একটা পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এসেছে।

 

মেডিস্টোরের বর্তমান অবস্থা কী?

আলহামদুলিল্লাহ। বেশ ভালো। আমাদের গ্রাহকের মধ্যে রয়েছে টয়োটা বাংলাদেশ, আইসিডিডিআরবি, নাভানা লিমিটেড, ঢাবি, ইউএসএ এম্বাসি, কানাডিয়ান এম্বাসিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। হেলথকেয়ার পার্টনার হিসেবে রয়েছে ইউনিসেফ, গ্রামীণফোন, স্ট্যান্ডার্ড চ্যাটার্ড, এনআরবি ব্যাংক, বেসিস, নেক্সপার্ক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

 

ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা কী?

মেডিস্টোরের নিজস্ব ব্র্যান্ডের প্রোডাক্ট মার্কেটে নিয়ে আসা। আরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এবং মেডিস্টোরকে দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও একটি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড় করানো।