ভারত থেকে নেমে আসা গত কয়েক দিনের পাহাড়ি ঢলে রৌমারীর জিঞ্জিরাম নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভেসে গেছে একমাত্র বাঁশের সাঁকোটি। এতে রৌমারী উপজেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে প্রায় আট গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ। উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র ভরসা এই বাঁশের সাঁকো। কয়েকদিন আগে পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তরে বাঁশের সাঁকো ভেঙে লন্ডভন্ড হয়ে যায়।
স্থানীয় সবুজ মিয়া, সুরুজ মিয়া, আব্দুর রহিম বলেন, প্রায় ৪০০ ফুট রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় রৌমারী উপজেলার খাঁটিয়ামারী, রতনপুর, চর বামনেরচর, মোল্লার চর, বেহুলার চর, সুতির পাড়, বোল্লাপাড়া ও মাঝিপাড়া (সবুজপাড়া) গ্রামবাসীর যাতায়াত ও উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার একমাত্র সড়ক এটি। অন্তত আট গ্রামের মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ, ধান, শাকসবজি, তরিতরকারি বাজারে আনা-নেওয়ার সমস্যা হচ্ছে। বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সাত বছর ধরে আট গ্রামের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে। এর আগে ঐ ভাঙন স্থানে সড়ক, বক্স কালভার্ট, স্লুইস গেট ও বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। সঠিক পরিকল্পনার অভাবে কোনোটিরই স্থায়িত্ব হয়নি।
রৌমারী সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু বলেন, এই বাঁশের সাঁকো নিয়ে অনেক দপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মামুন খান বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। এ বিষয়ে কিছুই জানি না, খোঁজখবর নেব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান বলেন, বন্যায় ভেঙে যাওয়া বাঁশের সাঁকোর স্থানে বড় স্লুইস গেট হবে। তবে মহামারি করোনা ভাইরাস ও বর্তমানে বন্যার কারণে কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
