বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চলের তিন ফসলি জমিগুলো তলিয়ে থাকায় বাড়ছে মাছ শিকারিদের আনাগোনা। সরেজমিনে দেখা গেছে, রবিবার উপজেলার সাপ্তাহিক হাট আবাদপুকুরে দূর-দূরান্ত থেকে বাঁশ দিয়ে হাতের তৈরি খৈলশানি (বৃত্তি), ভাঁইড় (চোকা), চাঁই ও পলইসহ কারেন্ট জাল বেচাকেনার চলছিল ধুম। খৈলশানি ও ভাঁইড় কারিগর মাহাবুব আলম জানান, প্রতিটি খৈলশানির দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ও ভাঁইড় ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।ত্রিমোহনী হাট ইজাদার বেদারুল ইসলাম জানান, বছরের এই সময়গুলোতে এ সকল সরঞ্জামগুলোর দাম একটু বেশিই থাকে।
