নিরাপদ হোক নদীপথ

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২০, ২২:১২

মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি লঞ্চঘাট থেকে ঢাকা লঞ্চঘাটে প্রতিদিন অনেক কর্মব্যস্ত মানুষ লঞ্চযোগে যাতায়াত করেন। শুধুমাত্র এই রুটে যাতায়াতের জন্য দুর্ঘটনাকবলিত ‘এম এল মর্ণিংবার্ড’-এর মতো আরো কয়েকটি লঞ্চ রয়েছে। আকারে ছোট। লঞ্চের ছাদে, বাইরে গায়ে গায়ে লেগে পায়ে পায়ে দাঁড়িয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে যাতায়াত করতে হয়। এটা নতুন কিছু নয়; দীর্ঘদিনের চর্চিত বাস্তবতা। যদিও সিসি ফুটেজে ঐ দিনের দুর্ঘটনার জন্য ময়ূর লঞ্চ-২ কর্তৃপক্ষকে বহুলাংশে দায়ী মনে হয়েছে। এই নদীপথের দীর্ঘদিনের যাত্রী হিসেবে দেখেছি, এ সমস্ত লঞ্চের টিকেটমাস্টারও অনিয়মিতভাবে সারেং-এর কাজটি করে থাকেন। এই খামখেয়ালিপনা সত্যিই বিপজ্জনক! পাগলা-ফতুল্লা সড়কে ভয়ানক যানজটের কারণে এ সমস্ত লঞ্চে কর্মব্যস্ত মানুষের চাপ বেশি। অন্যদিকে মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ নৌপথের লঞ্চগুলো তো আরো ছোটো। দুর্ঘটনা ঘটছে, প্রাণহানি হচ্ছে। এক্ষেত্রে বহুদিন ধরে বিআইডব্লিউটিএ-র দায়দায়িত্ব ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগোপযোগী সিদ্ধান্তের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। তাই নদীপথে নিরাপদ চলাচলের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

হিমাদ্রী চক্রবর্তী

মুন্সীগঞ্জ