গত সোমবার বাংলাদেশ থেকে ইতালির রাজধানী রোমে যাওয়া একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যকের করোনা ভাইরাস পজিটিভ ধরা পড়ার পর এক সপ্তাহের জন্য বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের ফ্লাইট বাতিল করেছে ইতালি সরকার।
এই খবর জানিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লাইট বন্ধের এই সময়ে ইতালি সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও শেঞ্জেন অঞ্চলের বাইরে থেকে যাওয়া সবার জন্য নতুন করে পূর্ব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে দুই মাস বন্ধ থাকার পর গত ১৬ জুন বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হয়। পরদিন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে রোমে ফিরে যান ২৫৯ জন প্রবাসী। এরপর গত দুই সপ্তাহে হাজারখানেকের মতো প্রবাসী বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে ইতালি ফিরে গেছেন। এর মধ্যে ইতালির রাজধানী রোম যে অঞ্চলে সেই লািসও অঞ্চল কর্তৃপক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঢালাও করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
এদিকে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স। বাংলাদেশে ১ জুলাই থেকে ফ্লাইট চালুর অনুমতি পেয়েছিল তারা। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে টার্কিশ এয়ারলাইন্স জানায়, সব যাত্রী সাধারণের সুস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মঙ্গল আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং এর বিস্তার রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তুরস্ক ও দেশটির পতাকাবাহী সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইন্স।
গুয়াংজুতে এক সপ্তাহ স্থগিত ইউএস-বাংলার ফ্লাইট
ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। গতকাল মঙ্গলবার চীনের একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ জুন ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ফ্লাইটের পাঁচ যাত্রীর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে গুয়াংজু বিমানবন্দরে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ৬ জুলাই থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ চীনে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে না ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।
