রোনালদোদের অবিশ্বাস্য হার

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২০, ২১:৩১

এগিয়ে থেকেও এসি মিলানের কাছে ৪-২ গোলে হারল  জুভেন্তাস। মিলানের মাঠে গত মঙ্গলবার রাতে অবিশ্বাস্য এই খেলাটি বিরতি সময়েও ছিল গোলশূন্য। এরপর আড্রিয়ান র্যাবিয়ট ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর গোলে ৫৪তম মিনিটে ২-০ তে এগিয়ে ছিল শিরোপার দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়ানো জুুভেন্তাস।

রোনালদোর এটি ছিল মৌসুমের ৩০তম গোল এবং পরিস্থিতি তখন পর্যন্ত সফরকারীদের অনুকূলে। কিন্তু এরপরই এলো এলোমেলো হয়ে যাওয়া সেই পাঁচটি মিনিট। পরিস্থিতি বদলে যায় ৬২তম মিনিটে এসি মিলান যখন একটা পেনাল্টি পায়। শট নিতে এগিয়ে এলেন ইউরোপের বিভিন্ন লিগ মাতানো জ্লাটান ইব্রাহিমোভিচ। সুইডিশ এই স্ট্রাইকারের ধীরস্থিরতায় পেনাল্টি থেকে পাওয়া গোলটিই বদলে দেয় সান সিরোর দৃশ্যপট। ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। রোনালদো অবশ্য ইব্রাহিমোভিচের পেছনে দাঁড়িয়ে কিছুটা মজা করছিলেন। এমনকি রোনালদো তার গোলরক্ষককে অয়েচিখ সজেস্নিকে চিত্কার করে বলছিলেন, ‘তুমি তো তাকে (ইব্রাহিমোভিচ) চেন।’  

ইব্রাহিমোভিচ অবশ্য তাতে দমে যাননি। বরং গোলরক্ষককে ধাঁধায়  ফেলে গোল করে পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডটির দিকে এগিয়ে গিয়ে হাসেন। রোনালদোও অবশ্য এটাকে মজা হিসেবেই নেন। দর্শকহীন মাঠে ত্রিশোর্ধ এই দুই জন স্ট্রাইকারের মধ্যকার মজা নেওয়ার চেষ্টা উপভোগ করেন টেলিভিশন পর্দার সামিল থাকারা। ঐ সময়ে রোনালদো অবশ্য অনুমানও করতে পারেননি কি ঘটতে যাচ্ছে খেলার বাকি অংশে। চার মিনিটের মধ্যেই জুভেন্তাসকে বোকা বানিয়ে ইব্রাহিমোভিচের জোগান থেকে সমতা ফেরান ফ্র্যাংক কেসি। রাফায়েল লিয়াও পেনাল্টি গোলের পঞ্চম মিনিটের মধ্যেই মিলানকে এগিয়ে দেন ৩-২ গোলে। এসি মিলানের হয়ে অ্যান্টে রেবিচ যখন মিলানের চতুর্থ গোলটি করেন তখনো খেলাটিতে ১০ মিনিট অবশিষ্ট ছিল। কিন্তু সফরকারীরা আর কিছুই করতে পারেনি।

কোচ মাউরিজিও সারির দল  এ হারের কারণে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ল্যাজিওর চাইতে ১০ পয়েন্টে এগিয়ে যেতে ব্যর্থ হলো। কেননা ল্যাজিও এই রাতে হেরে যায়। একদা ইতালির বিখ্যাত দল এসি মিলান অবশ্য এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম স্থানে উঠে আসে। ইব্রাহিমোভিচ অবশ্য জয়ের পর তার চেনা মেজাজে ধরা পড়েন যখন তিনি বলেন তাকে আরো আগে দলে নিলে এসি মিলান শিরোপা জিততে পারত।