স্বাভাবিক সময়ের প্রতীক্ষায় রেল সংকেত পেলেই পূর্ণগতি

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২০, ২১:৫৫

করোনাকালীন সতর্কতায় ও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো সীমিত পরিসরে চলাচল করলেও সবুজ সংকেত পেলে করোনামুক্ত পরিবেশে যে কোনো দিন থেকে সবগুলো ট্রেন পূর্ণগতিতে চালু করার প্রস্তুতি রয়েছে সংস্থাটির। রেল পূর্বাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক সরদার শাহাদাত আলী ইত্তেফাককে বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সর্বোচ্চ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করে রেলের যাত্রীবাহী ট্রেনগুলো ৫০ শতাংশ যাত্রী পরিবহনে কিছু ট্রেন সীমিত পরিসরে ৩১ মে থেকে চালু করা হয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম থেকে তিন জোড়া ট্রেন ঢাকা সিলেট ও চাঁদপুর লাইনে চলাচল করছে। বিদ্যমান পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে সরকারের সমন্বিত সিদ্ধান্তের আলোকেই ট্রেন চলাচল অব্যাহত রাখা হবে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ট্রেনের টিকিট ১০০ শতাংশ অনলাইনেই বিক্রি করা হবে বলে তিনি জানান। এ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ক্ষতির চেয়ে যাত্রীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টির ওপরই বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।

তিনি জানান, বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে যাত্রীবাহী ট্রেনগুলোর মধ্যে ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন, সিলেটগামী উদয়ন এক্সপ্রেস এবং চাঁদপুরের মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেন আপ এবং ডাউন সিডিউলে চট্টগ্রামের সঙ্গে যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ঢাকাগামী সোনার বাংলা ট্রেন এবং নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটটি স্টেশন হয়ে চাঁদপুর যাওয়ার কারণে বিপুলসংখ্যক যাত্রীসাধারণ উপকৃত হচ্ছে।

রেল পূর্বাঞ্চলের চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার মো. নাজমুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে তিন জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করলেও মালগাড়ি ও জ্বালানিবাহী ট্রেনের প্রায় সবগুলোই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করছে। এসব ট্রেনের মধ্যে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলছে মালগাড়ি, জ্বালানি তেলবাহী ট্রেনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার টঙ্গী হয়ে রংপুর, চট্টগ্রাম থেকে সিলেট ও হবিগঞ্জে নিয়মিত চলাচল করছে। আর করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সবগুলো ট্রেন নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী চলাচল শুরুর সর্বাত্মক প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।