করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকির কারণে এবার কোরবানির পশুর হাট বসবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধা দন্দে আছে ক্রেতা বিক্রেতারা। স্বল্প পরিসরে পশুর হাঁট বসানোর কথা ভাবছে সরকার। এবার পশুর হাট বসছে এক ভিন্ন পরিস্থিতিতে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে। সেগুলো কি মুখে মাস্ক পরা, হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে নাকি আরও বাড়তি সতর্কতা থাকবে সেটি নিয়ে এখনো কোন পরিকল্পনা হয় নি।
আরও বিস্তারিত যেমন, ভিড় কীভাবে সামলানো হবে, ক্রেতা বিক্রেতা, ইজারাদারদের কর্মী মিলে কতজনকে একসাথে হাটে ঢুকতে দেয়া হবে, ঢোকা ও বের হওয়ার আলাদা পথ হবে কিনা, তাপমাত্রা পরিমাপ করা, দুর দূরান্ত থেকে হাটে পশু বিক্রি করার জন্য যারা আসবেন তারা কীভাবে আসবেন, তাদের থাকার জায়গাগুলো কেমন হবে, রাস্তার হাটগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে এসব নিয়ে সিটি কর্পোরেশন বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্তৃপক্ষ কেউই পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারেননি।
এক পরিবার থেকে কজন আসতে পারবেন, যারা বাড়ি বাড়ি গরু পৌঁছে দেন, তারা তা করতে পারবেন কিনা, গরু জবাই করার যেসব সামগ্রী হাটে বিক্রি হয় এবার সেগুলো বসতে দেয়া হবে কিনা সেগুলোও ভাবা হয়নি।
দেশে অনলাইনে পশুর হাটের যাত্রা শুরু প্রায় এক দশক হলো। এর মধ্যে গত কয়েক বছরে অনলাইনে পশুর হাটের জনপ্রিয়তার গ্রাফটা বেশ সোজা ঊর্ধ্বমুখী। করোনা পরিস্থিতির কারণেই এ বছর গরুর এই ভার্চুয়াল হাট নিয়ে দেশীগরুবিডি ডট কমের http://deshigorubd.com এর প্রধান নির্বাহী টিটো রহমান বলেন, অনলাইনে পশুর হাটের কেনাকাটা এ বছর আগের সব ইতিহাসকে ছাপিয়ে যাবে। আমরা কোরবানির গরুর জন্য বুকিং নিতে শুরু করেছি। বেশকিছু বুকিং পেয়েছিও। করোনার কারণেই সম্ভবত এবার রেসপন্স ভালো। সামনে আরও বাড়বে বলে আশা করছি।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সম্পূর্ণ অর্গানিক গরু আমরা সংগ্রহ করছি। কোনো ধরনের কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা হয়নি—এমন গরুই কেবল সংগ্রহ করেছি আমরা। আর যারা বুকিং দিচ্ছেন, ঈদের দু’দিন আগে তাদের বাসায় গরু পৌঁছে দেওয়া হবে। গ্রাহকদের সুবিধার্থে দেশীগরুবিডি ডটকমে গরুর দামের ৫০% অগ্রিম দিয়ে বুকিং দিলে গরু ডেলিভারি দেয়ার সময় বাকি ৫০% টাকা দিয়ে গরু বুজে নিতে পারবেন। আর সবার প্রত্যাশামতো বিক্রিও এ বছর বেশি হবে মনে করছেন তিনি।
