২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সীমানায় ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়ে পাক সেনাদের বেশ কিছু ঘাঁটি ভেঙে দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। সেই ঘটনার শোধ নিতে ২০১৭ সালে পাঁচবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। কিন্তু ভারতীয় সেনার তত্পরতায় বারবার ব্যর্থ হয়েছে পাক বাহিনীর সেই চেষ্টা। কিন্তু তাতেও ক্ষান্ত হয়নি পাকিস্তানের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। তাই ভারতের মাটিতে তারা বড়সড় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরিকল্পনা করছে। এ জন্য তারা জঙ্গিদেরও সাহায্য নিচ্ছে। সমপ্রতি গোয়েন্দাদের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য ওঠে এসেছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা
নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর থাকা ভারতীয় সেনার ছাউনি ও কাশ্মিরে বারবার পাকিস্তানের পক্ষ থেকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের চেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় সেনা দক্ষতার সঙ্গে সেই চেষ্টা বারবার প্রতিরোধ করেছে। পাক সীমান্ত বাহিনীর স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের ছোট ছোট দল ও লস্কর-ই-তৈয়বার জঙ্গিরা রাজৌরি ও পুঞ্চ সেক্টরে এ জন্য বিশেষভাবে সক্রিয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।
২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর কাশ্মিরের কুপওয়ারা জেলার নওগাম সেক্টরে ভারতীয় সেনার পোশাক পরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায় পাক সেনার বিশেষ বাহিনী। এ সময় ভারতীয় সেনার গুলিতে দুইজনের মৃত্যু হয়। এর আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও একই চেষ্টা চালিয়েছিল পাক সেনারা। কিন্তু সেবারের ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ২০১৭ সালে পাক সেনা যে পাঁচটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের চেষ্টা চালিয়েছিল তাতে দুইজন ভারতীয় সেনা ও সাত অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যু হয়েছিল।
উরি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি আক্রমণে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুর পর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের ভূখণ্ডে ঢুকে পাক জঙ্গি ও সেনা ঘাটি গুঁড়িয়ে দেয় ভারত। সমপ্রতি সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন, সেনাদের মনোবল আরো মজবুত করতেই এই অভিযান চালিয়েছিল ভারত।
