স্পোর্টস রিপোর্টার
ঢাকায় থাকা ক্রিকেটাররা আক্ষরিক অর্থেই বন্দি হয়ে আছেন। তাসকিন আহমেদের মতো বিরল এক দুই জন হয়তো অনুশীলন করছেন। কিন্তু বেশিরভাগই এই করোনাকালে বন্দি ঘরে। কিন্তু ঢাকার বাইরে বাড়ি যেসব ক্রিকেটারের তাদের অবস্থা অবশ্য একটু অন্যরকম। তারা ঠিকই ব্যবস্থা করে নিয়েছেন অনুশীলনের।
ধারণা করা যায় এদের মধ্যে সবচেয়ে জোরদার অনুশীলন করছেন অলরাউন্ডার সাইফউদ্দিন। তিনি প্রথমটা বাড়ির পাশের মাঠে দৌড়াচ্ছিলেন। পরে বোলিংও শুরু করেছেন। বোলিংয়ের জন্য উইকেটের মতো করে একটা ব্লক তৈরি করে নিয়েছেন। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে মিলে বল করছেন। নিজের বর্তমান অনুশীলন অবস্থা নিয়ে সাইফউদ্দিন বলছিলেন, ‘আমার অন্য যে কোনো ক্রিকেটারের চেয়ে একটা সুবিধা হলো, আমার বাসার কাছেই একটা মাঠ আছে। হেঁটে যেতে দুই তিন মিনিট সময় লাগে। ওখানে লোকজন থাকে না। এমনিতেই অত সকালে কেউ যায় না। আর এখন তো লকডাউন অবস্থা। আমি মাঠে গিয়ে ফিজিক্যাল ট্রেনিং করি। আরেকটা সুবিধা হলো, একটা জিম আছে এখানে। বন্ধই থাকে এই সময়ের কারণে। কিন্তু আমি মালিককে বলে খুলে ট্রেনিং করি।’
বাড়িতে বসে দারুণ অনুশীলন করছেন ফাস্ট বোলার আবু জায়েদ রাহি। তিনিও করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই সিলেটে আছেন। বাসায় কিছু যন্ত্রপাতি দিয়ে ফিটনেসের ট্রেনিং করেন। এ ছাড়া বাইরে দৌড়াচ্ছেনও বটে। সেখানে বসে রোজই ফিটনেস নিয়ে কিছু কাজ করছেন। বলছিলেন ‘বাসায় জিমের কিছু জিনিস কিনে নিয়েছি। ট্রেডমিল কিনেছি। এ ছাড়া ভোরবেলায় বাসার সামনে দৌড়াই। আর শ্যাডো বোলিং করি। আপাতত এ ছাড়া তো কিছু করার নেই।’
সাতক্ষীরায় নিজের বাড়িতে আছেন সৌম্য সরকার। সেখানেই অনুশীলন করছেন সৌম্য। তিনি অনুশীলনের যন্ত্রপাতি কিনে নিয়েছেন। বাড়িতেই ট্রেডমিলে দৌড়াচ্ছেন। এ ছাড়া ফিটনেসের সব ট্রেনিং করছেন। তবে বাইরে দৌড়াতে যাচ্ছেন না।
বাগেরহাটে আছেন রুবেল হোসেন। নদীর পাড়ে বালুর ভেতর দৌড়ে ফিটনেস বাড়ানোর চেষ্টায় আছেন এই ফাস্ট বোলার। বলছিলেন, ‘বোলিং প্র্যাকটিসের সুযোগ-সুবিধা তো তেমন পাচ্ছি না। তাই ফিজিক্যাল ট্রেনিংটাই বেশি করছি। বিশেষ করে নদীর পাড়ে খোলা আকাশের নিচে বালুর ওপর দৌড়াচ্ছি। ওটা আশা করছি খুব কাজে দেবে।’
