মার্কেটিং ও সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকুরী দিয়ে শুরু করেছিলেন ক্যারিয়ার, জীবনের মধ্যগগনে এসে তিনি নিজে আজ তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানের সিইও - বলছিলাম দেশের রিয়েল এস্টেট সেক্টরের ব্যতিক্রমধর্মী ও স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রিয়েল ক্যাপিটা গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্হাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ আরিফুজ্জামান এর কথা।
শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজেই তার কর্মীদের প্রশিক্ষন প্রদান সহ সর্বদাই দক্ষ কর্মী তৈরীর এবং ভিন্নতার শিক্ষাদানের এক নজির রাখেন আরিফুজ্জামান । করোনায় যেখানে রিয়েল এস্টেট সেক্টর খেয়েছে বড় ধাক্কা, ব্যক্তি মোহাম্মাদ আরিফুজ্জামান তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত, এই সেক্টরের নানা সম্ভাবনার ও ভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানিয়ে। তিনি মনে প্রানে বিশ্বাস করেন, প্রতিবন্কতা ও হোচট খাওয়া ব্যবসার একটি সূত্র তাই বলে থেমে না গিয়ে এগিয়ে চলতে হবে বিকল্প পথ ধরে এবং কর্ম সময়কে বৃ"ির মাধ্যমে। মোহাম্মাদ আরিফুজ্জামান তার প্রতিষ্ঠানের সকল কাজ ভার্চুয়ালী নিয়ে এসেছেন, সেলস টিম এখন নানা প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ক্লায়েন্টকে নিমিষেই ঘুড়িয়ে আনে কোথায় হবে তার স্বপ্নের নিবাস ! তার কোম্পানী নিয়ে এসেছে কাস্টমার বান্ব প্রযুক্তিগত আধুনিক সফটওয়্যার । পাশাপাশি পেমেন্ট গেটওয়েতে তিনি আবিষড়ার করেছেন নতুন ফর্মূলা, চেকের বদলে ব্যাংক ট্রান্সফারে কাজ হচ্ছে আরো দ্রুত।
এছাড়াও, মোহাম্মাদ আরিফুজ্জামান বর্তমানে বানিজ্য মন্তনালয় কর্তৃক অনুমোদিত ঢাকা বিভাগের (১৩টি জেলার) সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে আবাসন ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন "ঢাকা ডেভেলপারস এন্ড রিয়েল এস্টেট গ্রুপ (ডি,ডি,-রেগ)" এর "মেলা, দূর্যোগ ও ত্রান" কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বর্পূন দায়িত্বে রয়েছেন। পিতা মরহুম আবুল বাসারের নামে গড়া ফাউন্ডেশন থেকে করোনা মহামারীর প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে তার শুভেচ্ছা উপহার। আবুল বাসার ফাউন্ডেশন সমাজের অসহায় মানুষকে দেখাচ্ছে আলোর নতুন পথ। মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি ব্যবস্খা করছেন উপবৃত্তি, কথা বলছেন এবং কাজ করে যাচ্ছেন নানা এতিমখানা কর্তৃপক্ষের সাথে তাদের সমস্যাগুলো নিয়ে। এ সম্পর্কে আরিফুজ্জামান বলেন, "আমি চাই আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আবুল বাশার ফাউন্ডেশনকে নিয়ে কাজ করে যেতে। আমার স্বপ্ন এদেশের মানুষ সবাই সবার প্রতি সহমর্মিতা দেখাবে। বিত্তবান বা বিদেশী অনেক প্রতিষ্ঠান আমাদের সাথে কাজের আগ্রহ দেখিয়েছে।"
ভবিষ্যতে এবছর তারা পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার খরচ বহন করবেন। তারা বিয়ে উপযুক্ত গরীব বাবার মেয়েকে গোপনীয়তা মেনে বিয়ের খরচ দিয়ে সহযোগীতা করবেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে দুস্হ ও সুবিধাবনি্ঞত দের নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে তাদের।
