শামীম হামিদ, চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রামে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) যুগের সূচনা হলেও প্রায় চার মাস ধরে এই পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ বন্ধ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, করোনা সংক্রমণের আশঙ্কায় ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। তবে যে কয়ক জন আগে আবেদন করেছিলেন সম্প্রতি তাদের হাতে এই পাসপোর্ট তুলে দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার এক মুক্তিযোদ্ধাসহ ছয় জনের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রামে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।
চট্টগ্রামের বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাঈদ গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, ‘জাহেদ আহমেদ নামে ডবলমুরিং এলাকার এক জন মুক্তিযোদ্ধার হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দেওয়ার মাধ্যমে আমরা এই কার্যক্রম শুরু করেছি। একইদিন এক সেনা কর্মকর্তাসহ আরো পাঁচ নাগরিককে এই পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামে গত ২৩ মার্চ ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন করা হলেও করোনার কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। উদ্বোধনী দিন যারা আবেদন করেছিলেন তাদের ই-পাসপোর্টগুলো প্রস্তুত হয়েছে। তাই সেগুলোই আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
করোনার কারণে নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ই-পাসপোর্টের জন্য যন্ত্রের সাহায্যে চোখের মণি ও ১০ আঙ্গুলের ছাপ গ্রহণ করতে হয়। এতে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। করোনার প্রকোপ কেটে যাওয়ার পর পুনরায় ই-পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
ই-পাসপোর্ট কারা পাবেন—জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ ইতিমধ্যেই উত্তীর্ণ হয়েছে কিংবা যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ আছে ছয় মাসেরও কম অথবা যারা নতুন পাসপোর্ট বানাতে চান শুধু তারাই ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার যোগ্য। ছয় মাসের বেশি মেয়াদ থাকা এমআরপি পাসপোর্টধারীদের ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে না।
