বিনোদন রিপোর্ট
ঈদকে সামনে রেখে চলছে নাট্যনির্মাতা, অভিনয়-অভিনেত্রীদের ব্যস্ততা। যদিও প্রতিবছরের মতো তেমন জোরালোভাবে কাজ শুরু হয়নি করোনার কারণে।
তবু দর্শকদের কিছটা বিনোদিত করতে নির্মাতা এস এ হক অলিক নির্মাণ করেছেন ‘কথা রাখতে হবে’ শিরোনামের একটি নাটক। এ প্রসঙ্গে নির্মাতা বলেন, আমি এর আগেও অনেক ভালো নাটক দর্শকদের উপহার দিয়েছি। এ বছর যেহেতুে করোনা মহামারি চলছে, তবু চেষ্টা করছি কম হলেও স্বাস্থবিধি মেনে কাজ করার। আমার এ কাজটি তারই অংশ। আমার এ নাটকটি মূলত করোনাকালকে নিয়েই নির্মিত। আশা করছি নাটকটি দর্শকরা পছন্দ করবেন। আসছে ঈদে একটি বেসরকারি টেলিভিশনে কথা শুনতে হবে নাটকটি প্রচারিত হবে।’
নাটকটিতে আরিফের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেতা নির্মাতা তৌকীর আহমেদকে ও রোদেলার চরিত্রে অভিনেত্রী তারিন জাহানকে। এছাড়াও বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে আরেক অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মমকে।
আরিফ হায়দার অর্থনৈতিকভাবে খুবই সচ্ছল। দাপুটে স্বভাবের আরিফ স্ত্রী রোদেলাকে খুব ভয় পায়। রোদেলা সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে, উচ্চশিক্ষিত না হলেও লেখাপড়া জানে। বাড়ির সবাই রোদেলাকে সমীহ করে চলে। সত্যি কথা বলতে সে ভয় পায় না। আরিফ ব্যবসার কাজ শেষ করে ঢাকা থেকে ফেরে। সঙ্গে কাজের লোকজন। রোদেলার সামনে পড়তেই শুরু হয় শাসন। এখন করোনার সময় সচেতন থাকতে হবে সবাইকে। রোদেলা আরিফকে সাফ জানিয়ে দেয় আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। যেমন কথা তেমন কাজ। ঘরবন্দি হয় আরিফ, রোদেলাও কাছে আসে না। দরজার বাইরে থেকে কথা হয়। ঘরবন্দি থেকে আরিফ পাগলের মতো। রোদেলা কাজে ব্যস্ত থাকলে চুরি করে বাইরে বের হয়ে কাজের লোকদের সঙ্গে কথা বলে আরিফ। বারবার রোদেলার কাছে ধরা পড়ে। সামনে কোরবানির ঈদ। বরাবরের মতো সবচাইতে বড় গরু কোরবানি দিতে হবে এবারো। চারদিকে লোক লাগিয়ে দেয় আরিফ, বড় গরু লাগবেই, না হলে মান থাকবে না। এবারো বাঁধ সাধে রোদেলা। তার স্পষ্ট প্রতিবাদ, প্রতিযোগিতা করে কখনো কোরবানি হয় না। তাছাড়া করোনার সময় অনেক মানুষ অর্থকষ্টে আছে, মোটামুটি একটা কোরবানি দিয়ে বাকি টাকা গরিবদের দান করতে বলে আরিফকে। এবার আরিফ প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। সবচেয়ে বড় গরুই সে কোরবানি দেবে। কোনো কথা শুনবে না সে। অপরদিকে রোদেলার ঘোষণা, কথা শুনতেই হবে। এমন কড়া শাসনের গল্পে নির্মিত হয়েছে নাটক কথা শুনতে হবে।
