রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের ব্যবহূত গাড়ি ও সাহেদের সই ও সিল সম্বলিত ৪৮টি ব্যাংক চেকসহ তার দুই সহযোগী গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—রিজেন্ট গ্রুপের এমডি মাসুদ পারভেজ গাজীর ভায়রা গিয়াস উদ্দিন জালাল এবং তার গাড়ি চালক মাহমুদুল হাসান। বৃহস্পতিবার বিকালে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সাভারের আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
আমাদের সাভার প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করে র্যাব-১ এর সদস্যরা। এঘটনায় ঐ রাতেই তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে র্যাব। পরে গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঐ মামলায় দুই জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। গিয়াস উদ্দীন জালালী বি-বাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার রুপসাদী গ্রামের মৃত ফকির সুলতান জালালীর ছেলে এবং প্রাইভেটকার চালক মাহমুদুল হাসান শরিয়তপুর জেলার জাজিরা থানার ছোট কৃষ্টনগরের ফয়জুল মাতবরের ছেলে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদের সীল ও স্বাক্ষরিত প্রিমিয়ার ব্যাংক, গরিবে নেওয়াজ এভিনিউ শাখার ৪৮টি চেক বইয়ের পাতা, রিদম ট্রেডিং এর নামে ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রগতি সরণী শাখার একটি চেকবই, ১০ বোতল ফেনসিডিল ও ২১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
সাহেদের ব্যাপারে তথ্য পাঠানোর অনুরোধ
প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সাহেদের বিরুদ্ধে যে কোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এছাড়াও সাহেদের প্রতারণার শিকার যেকোনো ব্যক্তির অভিযোগ গ্রহণ এবং তাদের আইনি সহায়তা র্যাব থেকে দেওয়া হবে। গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. আশিক বিল্লাহ। তিনি জানান, সাহেদ গ্রেফতার হওয়ার পর প্রতারণার শিকার অনেক ভুক্তভোগী র্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তথ্য বা অভিযোগ জানাতে এবং আইনি সহায়তা পেতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে এই ঠিকানায়: তদন্ত উইং, র্যাব হেডকোয়ার্টার হটলাইন নম্বর-০১৭৭৭৭২০২১১, এছাড়া ই-মেইল: [email protected].
