সিএমএসএমই খাতে ঋণ বিতরণ বাড়াতে বিশেষ ছাড়

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২০, ২১:৪৭

ইত্তেফাক রিপোর্ট

করোনার প্রাদুর্ভাবে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে ঋণ বিতরণে উত্সাহিত করতে বিশেষ ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ খাতের উদ্যোক্তাদের ঋণখেলাপি করার সময়সীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে খেলাপি ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণের হার। বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার মঙ্গলবার জারি করে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে সিএমএসএমই খাতের যে কোনো ঋণ ছয় থেকে ১৮ মাস মেয়াদোত্তীর্ণ হলে তা নিম্নমান বা সাব স্ট্যান্ডার্ড মানে শ্রেণিকৃত হবে। এতদিন অন্যসব খাতের মতো সিএমএসএমই ঋণও তিন থেকে ৯ মাস মেয়াদোত্তীর্ণ হলে নিম্নমান বিবেচিত হতো। আর এখন থেকে সিএমএসএমই খাতের যে কোনো ঋণ ১৮ থেকে ৩০ মাস অপরিশোধিত হলে তা সন্দেহজনক বা ডাউটফুল হিসেবে বিবেচিত হবে। যা এতদিন অন্যসব খাতের মতো এ খাতের ঋণও ৯ থেকে ১২ মাস পরিশোধ না করলে তা সন্দেহজনক মানে শ্রেণিকৃত করা হতো।

এছাড়া এখন থেকে সিএমএসএমই খাতের ঋণ ৩০ মাসের বেশি মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ মন্দ বা কুঋণ হিসেবে বিবেচিত হবে, যা এতদিন অন্যান্য খাতের মতো ১২ মাসের বেশি অনাদায়ী থাকলে তা ক্ষতিজনক মানে শ্রেণিকরণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এখন থেকে সিএমএসএমই খাতের সাব স্ট্যান্ডার্ড ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণের হার ৫ শতাংশ এবং সন্দেহজনক ঋণে ২০ শতাংশ। তবে কুঋণের বিপরীতে আগে মতই শতভাগ প্রভিশন রাখতে হবে।