ইরানের যাত্রীবাহী বিমানের কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমানের মহড়া

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২০, ২১:৪৩

সিরিয়ার আকাশসীমায় ইরানের যাত্রীবাহী বিমানকে মার্কিন যুদ্ধবিমান চ্যালেঞ্জ করেছে বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে দাবি করা হয়েছে। তবে বিপজ্জনকভাবে মহড়া চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তাদের যুদ্ধবিমান নিরাপদ দূরত্বে ছিল।

ইরানের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা মাহান এয়ারের একটি যাত্রীবাহী বিমান বৃহস্পতিবার দুপুরের পর লেবাননের রাজধানী বৈরুতের উদ্দেশে তেহরান ত্যাগ করে। ইরানি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইবির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সন্ধ্যার দিকে বিমানটি সিরিয়ার তাল আন্?ফ অঞ্চলের আকাশে পৌঁছালে এর চারপাশে বিপজ্জনক মহড়া চালায় দুইটি যুদ্ধবিমান। এ অবস্থায় জঙ্গি বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে ইরানি বিমানের চালক হঠাত্ করে যাত্রীবাহী বিমানের উচ্চতা পরিবর্তন করেন। আর সেই সময় ঝাঁকুনিতে আহত হন কয়েকজন যাত্রী।

প্রথমে ঐ দুইটি যুদ্ধবিমান ইসরাইলের বলে উল্লেখ করা হলেও পরে আইআরআইবি দাবি করে অন্তত একটি বিমান যুক্তরাষ্ট্রের। আইআরআইবির পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানের জানালা দিয়ে যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা যাচ্ছে। ঐ ভিডিওতে আহত এক যাত্রীর মুখে রক্তও দেখা গেছে। পরে ইরানের ঐ বিমানটি বৈরুত বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।

সিরিয়ার আকাশে মার্কিন বিমান মহড়ার কথা স্বীকার করলেও তা ইরানি বিমানের পাশ দিয়ে উড়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন বিল উরবান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘সিরিয়ার আল তানাফে রুটিন মহড়া চালাচ্ছিল একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। বিকালে আকাশসীমায় মাহান এয়ারের একটি যাত্রীবাহী বিমানের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে মার্কিন বিমানটি নিরাপদ দূরত্বে চলে গিয়েছিল। মাহান এয়ারের বিমানটি থেকে প্রায় ১ হাজার মিটার দূরত্বে অবস্থান করছিল এটি।’ বিল উরবান দাবি করেন ইরাক ও জর্ডান সীমান্তের কাছে আল তানাফে মার্কিন ঘাঁটিতে অবস্থানরতদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঐ নজরদারি মহড়া চালায় এফ-১৫ বিমান।